ক্যান্সারের কারণ কী? ক্যান্সার কেন হয়?

ক্যান্সারের কারণ কী? ক্যান্সার কেন হয়?

বর্তমানে ক্যান্সার শব্দটি একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কারো ক্যান্সার হয়েছে শুনলেই পিলে চমকে যায় মনে হয় লোকটি আর বাঁচবে না। কিন্তু আমাদের মাথায় সবসময় একটি প্রশ্ন ঘুরঘুর করে ক্যান্সারের কারণ কী? যার ক্যান্সার হয়েছে সে আফসোস করে কি কাজ করেছি যে আমার ক্যান্সার হবে? আগে জানলে ঐ কাজগুলো আর করতাম না। অনেকে বলে ক্যান্সার পাপের ফল।

যাই হোক সব প্রশ্নের উত্তর জানতে আলোচনা শুরু করা যাক, ক্যান্সারের কারণ কী? ক্যান্সার কেন হয়?…..!

ক্যান্সারের কারণ কী? ক্যান্সার কেন হয়?
ক্যান্সারের কারণ কী? ক্যান্সার কেন হয়?

আপনি আরো পড়তে পারেন ………………………….. ক্যান্সার কী? ক্যান্সার কিভাবে সৃষ্টি হয়? …………. ক্যান্সার রোগির মৃত্যুর লক্ষণ গুলো কি?….. ক্যান্সারের ২৫ টি লক্ষণ দেখে নিন#

ক্যান্সার কেন হয়?

ক্যান্সার নানা কারণে হতে পারে। প্রতিদিন আমরা যে খাবার খাই তাতে বিভিন্ন দূষিত পদার্থ থাকতে পারে। এই দূষিত পদার্থগুলো ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।আবার বয়স,ধূমপান, মদপান,তেজষ্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শ ক্যান্সার তৈরি করতে পারে। এছাড়াও অনেক শারীরবৃত্তিয় কাজের ভারসাম্য নষ্ট হলও এটি হতে পারে।

ক্যান্সারের কারণ কী তা ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা যাক….

ক্যান্সারের কারণ

ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ কার্সিনোজেন

যেসব পদার্থের উপস্থিতির কারণে ক্যান্সার কোষ সৃষ্টি হয় তাকে কার্সিনোজেন বলে। কার্সিনোজেন বিভিন্নভাবে দেহে প্রবেশ করতে পারে। খাদ্যের মাধ্যমে দেহে কার্সিনোজেন দেহে প্রবেশের সম্ভাবনা বেশি। দূষিত বাতাসের মাধ্যমেও এটি দেহে প্রবেশ করতে পারে।

কার্সিনোজেনের প্রকারভেদ:

কার্সিনোজেন সাধারণত দুই প্রকার যেমন-

কো-কার্সিনোজেন:

যেসকল রাসায়নিক পদার্থ নিজে ক্যান্সার সৃষ্টি করে না তবে অন্য কার্সিনোজেনিক পদার্থকে ক্যান্সার সৃষ্টিতে উদ্দিপনা দেয় তাকে কো- কার্সিনোজেন বলে।যেমন- ইথানল বা মদ

প্রো-কার্সিনোজেন:

যে রাসায়নিকগুলি কার্সিনোজেনিক নয়, তবে শরীরে বিপাকযুক্ত হয়ে কার্সিনোজেনে পরিণত হয় তাদের প্রো-কার্সিনোজেন বলে। উদাহরণ: নাইট্রাইট বিপাক হয়ে নাইট্রোসামাইন তৈরি করে।

ধাতব কার্সিনোজেন

বিভিন্ন ধাতব কার্সিনোজেন এর কারণে ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। নিচের ছকে দেখুন কোন ধাতব পদার্থ কোন ক্যান্সার সৃষ্টি করে এবং ধাতু গুলোর উৎস।

ধাতব কার্সিনোজেন সৃষ্ট ক্যান্সার কার্সিনোজেন এর উৎস
আর্সেনিকফুসফুস, ত্বক,রক্তআকরিক ধাতু,বৈদ্যুতিক ও অর্ধ পরিবাহী ধাতু,কীটনাশক,আর্সেনিক দূষিত পানি ইত্যাদি।
এসবেস্টসফুসফুস,পরিপাকতন্ত্রমেঝের টাইলস, অগ্নিনির্বাপক কাপর,গাড়ির যন্ত্রাংশ
বেনজিনলিউকেমিয়া, হজকিন্স লিম্ফোমাজ্বালানি তেলের দহনে সৃষ্ট ধোঁয়া মানে গাড়ির ধোঁয়া
বেরিলিয়ামফুসফুসআকরিক ধাতু,পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র
ক্যাডমিয়ামপ্রস্টেটব্যাটারি,দেয়ালের রঙ,হলুদ রঙ
ক্রোমিয়ামফুসফুসদেয়ালের রঙ,খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ
নিকেলনাক,ফুসফুসদেয়ালের রঙ, সিরামিকস,ব্যাটারি,স্টেইনলেস স্টিল
মার্কারিত্বকপ্রসাধনী সামগ্রী
কার্সিনোজেন এর উৎস ও সৃষ্ট ক্যান্সার

তামাক

তামাকের প্রধান ক্ষতিকারক উপাদান নিকোটিন। এটি একটি ভয়ংকর কার্সিনোজেন। এছাড়াও ধূমপানের সময় তামাক আগুনে পুড়ে কার্বন মনোঅক্সাইড তৈরি করে এটি কোষের অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রা কমিয়ে দেয় ফলে কোষের মৃত্যু ঘটে। দীর্ঘদিন তামাক ব্যবহারে কোষের ডিএনএ এর স্ট্রাকচার বদলে গিয়ে ভালো কোষ ক্যান্সার কোষে রূপান্তরিত হয়।

ধূমপানের সাথে ফুসফুস, মুখ ও কণ্ঠনালীর এবং যকৃৎ বা লিভারের ক্যান্সারের যোগাযোগ রয়েছে।ধূমপান ছাড়া তামাক জর্দা,গুল,ভেজাপাতা ইত্যাদি হিসেবে গ্রহণ করলেও ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

“বিশ্বে প্রতিবছর ২৫ লক্ষ মানুষের ক্যান্সারে মৃত্যু হয় তামাক সেবনের কারণে। যত ক্যান্সার রোগী মারা যায় তার ২৫% তামাক সেবনের কারণে মরে।”

তথ্যসূত্র : WHO(বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)2020
ক্যান্সারে মোট মৃত্যুতামাকের কারণে মৃত্যু

২৫ লক্ষ

২৫%

এলকোহল বা মদ

বিয়ার,হুইস্কি,রাম,ভদকা,টাকিলা,ব্রান্ডি ইত্যাদি নামে এলকোহল বিক্রি করা হয়।এটি মূলত ইথানলের তরল দ্রবণ। এলকোহল সামান্য পরিমাণে মাঝেমধ্যে সেবন করলে তেমন কোন সমস্যা নেই। কিন্তু দীর্ঘদদিন যাবৎ অতিরিক্ত এলকোহল গ্রহণ করলে দেহে কারসিনোজেন উৎপন্ন হয়। এলকোহল লিভার সিরোসিস সহ লিভার ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। পাকস্থলী, কোলন,জরায়ুমুখ এবং ফুসফুস ক্যান্সারের সাথেও এলকোহলের যোগসূত্র রয়েছে।

মহিলারা এলকোহল বা ইথানল বেশি পান করলে দেহে শোষিত হয়ে এসিটালডিহাইড উৎপন্ন করে এটি ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে ফলে জরায়ুমুখ, ডিম্বাশয় ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এছাড়া মদ পানে বিভিন্ন ভিটামিন যেমন Vitamin A,Vitamin C,Vitamin D,Vitamin E,Folate,Carotenoids এর শোষণ কমে ফলে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

” প্রতিবছর বিশ্বে ৩০ লক্ষ মানুষ মরে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনের কারণে। যত রোগী ক্যান্সারে মরে তার ৫% এলকোহল সেবনের কারণে মরে।”

তথ্যসূত্র : WHO(বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)2020

অতিরিক্ত ওজন

BMI মানে হলো kg তে ওজন মেপে একে মিটারে উচ্চতা মেপে তার বর্গ দিয়ে ভাগ করা।BMI মান ২৫ kg/m2 থেকে ৩০ kg/m2 এর মধ্যে থাকলে তাকে মোটা বা স্থূল মানুষ বলে। আর যখন বডি মাস ইনডেক্স (BMI) ৩০ kg/m2 বেশি থাকে তখন তাকে অতি স্থূলকায় বা অতিরিক্ত মোটা বলা হয়। অতিরিক্ত ওজন বিশিষ্ট মানুষের দেহে প্রচুর ক্ষতিকর চর্বি থাকে।

এই চর্বিতে দ্রবণীয় ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে সহজে বের হয়না, এগুলো একসময় ক্যান্সার উৎপাদনকারী কার্সিনোজেন সৃষ্টি করে। ১৩ ধরণের ক্যান্সার হতে পারে অতিরিক্ত ওজনের কারণে। স্তন ক্যান্সার ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির ক্যান্সারের প্রধান কারণ অতিরিক্ত ওজন।

“প্রতিবছর সারা বিশ্বে ২৮ লক্ষ মানুষ মরে অতিরিক্ত ওজনের কারণ। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই বছরে স্থূলতাজনিত রোগের শিকার হয়ে মারা যান ১১১,৯০৯থেকে ৩৬৫,০০০জন। আর ইউরোপের দেশগুলিতে এই সংখ্যা ১০ লক্ষের (৭.৭%) কাছাকাছি। মোট ক্যান্সারে মৃত মানুষের মধ্যে ৭% অতিরিক্ত ওজনের কারণে মরে।”

তথ্যসূত্র: WHO(বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)2020

জীবাণু

অনেক জীবাণু ক্যান্সার সৃষ্টি করে। নিচের ছকে দেখুন কোন জীবাণু কোন ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

জীবাণুর নামক্যান্সারের নাম
হেপাটাইটিস বিলিভার ক্যান্সার
হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাসজরায়ুমুখ ক্যান্সার
হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়াপাকস্থলীর ক্যান্সার
যকৃত কৃমি ক্লোনোর্চিস সাইনেনসিস এবং Oposthorchis veverriniলিভার ক্যান্সার

আলফাটক্সিন

আলফাটক্সিন
আলফাটক্সিন

Aspergillus flavus এবং Aspergillus parasiticus প্রজাতির ফাঙ্গাস বা ছত্রাক দ্বারা উৎপাদিত হয় আলফাটক্সিন। এটি সংরক্ষণ করে রাখা খাদ্য শস্য, বিভিন্ন বাদাম, চিনাবাদাম এবং মাখনের উপর তৈরি হয় ঐ ছত্রাকগুলোর সাহায্যে।

আলফাটক্সিন খুব শক্তিশালী ক্যান্সার উৎপাদনকারী পদার্থ বা কার্সিনোজেন। এটি লিভার ক্যান্সারের কারণ হিসেবে পরিচিত। এর আক্রমণে লিভার একদম ধ্বংস হয়ে যায়।

খাদ্য সংরক্ষণকারী প্রিজারভেটিভ

ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য খাদ্য সংরক্ষণ করতেই হয়। কৃত্রিমভাবে খাদ্য সংরক্ষণ করার জন্য যে প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় তার অধিকাংশ নিরাপদ কিন্তু ক্রোমিয়াম ও ক্যাডমিয়াম ধাতু ব্যাবহার করে তৈরিকৃত প্রিজারভেটিভ ক্যান্সার তৈরি করে।

রং ফর্সাকারী ক্রিম

প্রসাধনী সামগ্রী ক্যান্সারের কারণ
প্রসাধনী সামগ্রী

সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের ক্যবহার সারা বিশ্বে প্রচলিত। কিন্তু এই ক্রিমে মার্কারি ব্যাহার করা হলে তা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি করবে। তাই অনুমদনহীন কোম্পানির ক্রিম ব্যাবহার করে ক্যান্সার ডেকে আনবেন না।

প্লাসটিক

বিস-ফেনল এ, ভিনাইল ক্লোরাইড ব্যবহার করে প্লাস্টিক তৈরি করা হয়। এই উপাদানগুলো মারাত্মক ক্যান্সার উৎপাদনকারী পদার্থ যা মার্কড কারসিনোজেন নামে পরিচিত। খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ইত্যাদি বেশিদিন প্লাসটিক বোতল বা কন্টেইনারে রাখা ঠিক নয়।

এলুমিনিয়ামের তৈরি পাতিল

এলুমিনিয়ামের বাসনপত্র
এলুমিনিয়ামের বাসনপত্র

আমরা রান্নার কাজে যে পাতিল ব্যবহার করি সেগুলো এলুমিনিয়াম এর তৈরি। এলুমিনিয়াম একধরণের কার্সিনোজেনিক পদার্থ। এটি পরিপাকতন্ত্রের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। আপনি মাটির পাতিল ব্যবহার করুন এটা বেশি নিরাপদ।

স্মেগমা

ছেলেদের পুং লিঙ্গের চামড়া গুটিয়ে নিলে লালচে অংশ বের হয় একে লিঙ্গ মুণ্ড বা গ্লান্স পেনিস বলে। লিঙ্গ মুন্ডের ঠিক পিছনের চামড়ার ভাঁজে ও নারীদের যোনিপথের দুইপাশে যে মাংসল অংশ থাকে তার অন্ত:ভাঁজে এক ধরণের ছাই রঙা ময়লা জমে এটিকে স্মেগমা বলে। স্মেগমা লিঙ্গ ও যোনিপথের ক্যানসার সৃষ্টি করে ৷ প্রত্যহ স্নানের সময় এটা পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরী ৷ মুসলমান পুরুষদের লিঙ্গের অগ্রভাগের চামড়া কাটা থাকে ফলে লিঙ্গমুণ্ড খোলা থাকে।

অতিরিক্ত ভাজা খাবার

পাউরুটি টোস্ট করার সময় বা আলু ইত্যাদি ভাজার সময় অধিক তাপের ফলে যে বাদামী রঙের পদার্থ সৃ্‌ষ্টি হয় তার রাসায়নিক নাম এক্রিলামাইড এবং এটি কারসিনোজেন ৷ গবেষকরা জানিয়েছেন, ভাজার সময় খাদ্যবস্তুর রং যখন সোনালী-হলুদ হবে তখনই ভাজা বন্ধ করতে। সব্জি,মাছ,মাংস,সস্যদানা ভেজে একদম কালো করে ফেলবেন না। আগুনে ঝলসানো চিকেন গ্রিল,বিফ স্টেক,চাপ,কাবাব,ফিস ফ্রাই যতটা সম্ভব কম খাবেন। পটেটো চিপস,ফ্রেঞ্চ ফ্রাই একই তালিকার মধ্যে পরে।

রিফাইন্ড করা চিনি

এটি অগ্নাশয়ের ক্যান্সার তৈরি করে।

ফাস্টফুড

hot dogs, salami, sausage, ham, corned beef,beef jerky,

GMO ফসল

এগুলো দেহে ক্যান্সার কোষ সৃষ্টি করে।

তেজষ্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শ

তেজষ্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে আসলে ঐ পদার্থ থেকে বিকরিত তেজস্ক্রিয়তার কারণেও বিভিন্ন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, প্লুটোনিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি তেজষ্ক্রিয় পদার্থগুলোর বিকিরণে ক্যান্সার হয়।

বংশগতীয় যোগসূত্র

পরিবারের কারো যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা থাকে তাহলে তার সন্তান সন্তুতির ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কারণ ত্রুটিপূর্ণ ক্যান্সার কোষের ডিএনএ শুক্রাণু বা ডিম্বাণুর মাধ্যমে সন্তানে প্রবেশ করতে পারে।

দূষিত পরিবেশ এবং পেশাগত কারণ

দূষিত পরিবেশ এবং কর্মক্ষেত্রের কাজ করার উপাদানের কারণে ক্যান্সার হতে পারে। যেমন-এসবেস্টস ধাতুর সংস্পর্শে আসার কারণে জমেসোথেলিওমিয়া ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।সাধারণত জাহাজ তৈরির শিল্পের সাথে যারা জড়িত তাদের এই ধাতুর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাটা বেশি থাকে।

এই কারণেই অনেক দেশে এই ধাতুর ব্যবহার নিষিদ্ধ। একইভাবে রঙের কারখানা, রাবার বা গ্যাসের কাজে যারা নিয়োজিত তারা এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসার কারণে মুত্রথলির ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। তীব্র রোদে বেশিক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বয়স

বয়স বাড়লে দেহের কোষগুলোর সজীবতা কমেযায়, পুনরুজ্জীবিত হওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায়,রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ফলে Cancer তৈরির উপাদান সহজে Cancer কোষ সৃষ্টি করতে পারে।পরিসংখ্যানে ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের ওপর।

স্মেগমা কী?

লিঙ্গ মুন্ডের ঠিক পিছনের চামড়ার ভাঁজে ও নারীদের যোনিপথের দুইপাশে যে মাংসল অংশ থাকে তার অন্ত:ভাঁজে এক ধরণের ছাই রঙা ময়লা জমে এটিকে স্মেগমা বলে।

Cause of cancer in Bangla

why we get cancer? cause of cancer, cancer er karon ki? cancer keno hoy

Tag: ক্যান্সারের কারণ….. ক্যান্সারের কারণ….. ক্যান্সারের কারণ……. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ….. ক্যান্সারের কারণ…. ক্যান্সারের কারণ….. ক্যান্সারের কারণ… ক্যান্সারের কারণ

Please Click on Just one Add to help us

মহাশয়, জ্ঞান বিতরণের মত মহৎ কাজে অংশ নিন।ওয়েবসাইট টি পরিচালনার খরচ হিসেবে আপনি কিছু অনুদান দিতে পারেন, স্পন্সর করতে পারেন, এড দিতে পারেন, নিজে না পারলে চ্যারিটি ফান্ডের বা দাতাদের জানাতে পারেন। অনুদান পাঠাতে পারেন এই নম্বরে ০১৭২৩১৬৫৪০৪ বিকাশ,নগদ,রকেট।

এই ওয়েবসাইট আমার নিজের খরচায় চালাই। এড থেকে ডোমেইন খরচই উঠেনা। আমি একা প্রচুর সময় দেই। শিক্ষক হিসেবে আমার জ্ঞান দানের ইচ্ছা থেকেই এই প্রচেষ্টা। আপনি লিখতে পারেন এই ব্লগে। এগিয়ে নিন বাংলায় ভালো কিছু শেখার প্রচেষ্টা।