তিল বা আঁচিল কেন হয়? আঁচিল কি শরীরের জন্যে ক্ষতিকর?

Table Of Contents

কেউ হাসলে গালে টোল পরে। করো গালের তিল সৌন্দর্য বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। অনেকে ঠোটের উপর তিল নিয়ে অপার্থিব সৌন্দর্য ধারণ করে। কিন্তু কারো মুখে কালো আঁচিল থাকলে হীনমন্যতায় ভোগে।

নাকের উপর কালো আঁচিলের কারণে সৌন্দর্যহানী হয়। যাই হোক তিল নিয়ে অনেক তেলাতেলি হলো, এবার জানাযাক তিল বা আঁচিল কেন হয়?

আপনি আরো পড়তে পারেন….. হাঁচি কেন হয়? হাঁচির ভালো মন্দ!

ঘাম কি? মানুষ ঘামে কেন?discover now!

তিল বা আঁচিল কি?

মানবদেহের ত্বকের উপরিভাগ সাধারণত মসৃণ হয়। কখনো এই মসৃণ অংশের উপর অতিরিক্ত উপবৃদ্ধি সৃষ্টি হয় একে আঁচিল বলে। আবার অতিরিক্ত মেলানিন জমে ত্বকের সাধারণ রঙের উপর অস্বাভাবিক দাগ সৃষ্টি করে একে তিল বা তিল চিহ্ন বলে।

তিল বা আঁচিল কেন হয়? আঁচিল কি শরীরের জন্যে ক্ষতিকর?
তিল বা আঁচিল

শরীরের তিলের ইংরেজি কি?

তিল গাছ ও বীজের নাম আমরা সবাই জানি এই তিলের ইংরেজি হলো Sesame,Sesame seed। কিন্তু মানব শরীরে পাওয়া যায় যে তিল তার ইংরেজি তো অনেকেই জানেনা। হুম তাহলে শুনুন শরীরের তিলকে ইংরেজিতে mole; freckle; spot; nevus বলে।

তিল বা আঁচিল কেন হয়?

শরীরে তিল বা আঁচিল হওয়ার কারণ

আমাদের ত্বকে যে সমস্ত কোষ আছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো মেলানোসাইট (melanocyte)। এই কোষ মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে আমাদের ত্বকের স্বাভাবিক বর্ন প্রদান করে।

এই মেলানোসাইট আমাদের ত্বকের সর্বত্র সুষম ভাবে বণ্টিত (uniformly distributed)। কিন্তু কোনো কারণে যদি অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে ত্বকের কোনো অংশে একত্রিত ভাবে একগুচ্ছ মেলানোসাইটের জন্ম ও বৃদ্ধি হয় (grow in cluster) তাহলেই তিল বা আঁচিলের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

তিল বা আঁচিল এর প্রকারভেদ

তিলের গাঠনিক প্রক্রিয়া ও তিলের ধরণের উপর ভিত্তি করে তিলের প্রকারভেদ

জন্মদাগ বা কনজেনিটাল নেভি

জন্মের সময় থেকে উপস্থিত কনজেনিটাল নেভি প্রায় 100 জনের মধ্যে একজনের মধ্যেই দেখা যায়। তবে এই ক্ষেত্রে মেলানোমা (ক্যান্সার) হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা বেশি থাকে।

জন্মদাগ বা কনজেনিটাল নেভি
জন্মদাগ বা কনজেনিটাল নেভি

ডিসপ্লপ্লাস্টিক নেভি

এটি আকারে কনজেনিটাল নেভির থেকে আকারে সামান্য বড় এবং আকারে অনিয়মিত হয়। গাঢ় বাদামী বর্ণের কেন্দ্র এবং হালকা, অসম প্রান্ত। এই নেভিগুলি মেলানোমা হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা বেশি।
আসলে, যাদের ১০ বা ততোধিক ডিসপ্লপ্লাস্টিক নেভি রয়েছে তাদের ত্বকের ক্যান্সার, মেলানোমা হওয়ার ১২ গুণ বেশি সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিসপ্লপ্লাস্টিক নেভি
ডিসপ্লপ্লাস্টিক নেভি

আঁচিল বা স্কিন ট্যাগ

এগুলি সাধারণত বিপদ্দজনক নয় এবং কোনো ব্যথাও সৃষ্টি করে না। আঁচিল ঘাড়ে, বুকে, পিঠে বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়। মহিলাদের ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে আঁচিল হওয়ার বেশি প্রবণতা দেখা যায়।

আঁচিল বা স্কিন ট্যাগ
আঁচিল বা স্কিন ট্যাগ

লেন্টিগো (lentigo)

শ্বেতাঙ্গ মানুষের মধ্যে লেন্টিগো হওয়ার বেশি প্রবণতা দেখা যায়। সাধারণত এ ক্ষেত্রে ত্বকের কোনো অংশ বাকি অংশের তুলনায় গাঢ় হয়ে থাকে। অতিরিক্ত সূর্যালোক, জেনেটিক্যাল কারণ অথবা রেডিয়েশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে লেন্টিগোর আবির্ভাব হতে পারে।

লেন্টিগো
লেন্টিগো

ফ্রেকল (Freckles)

সাধারণত যারা ফর্সা হয় তাদের মধ্যে এই ফ্রেকল দেখা যায়। মুখ, বাহু, ঘাড় এবং বুকে এই বাদামি রঙের ছোট ছোট স্পট সৃষ্টি হয়। এটি একেবারেই বিপদ্দজনক তো নয়ই বরং খুব স্বভাবিক।

ফ্রেকল (Freckles)
ফ্রেকল (Freckles)

সেবোরহেইক কেরাটোসিস (Seborrheic Keratoses)

এটি কেরাটোসাইট নামক কোষ থেকে সৃষ্টি হয় I কালো অথবা খয়েরি বর্ণ বিশিষ্ট ত্বকের এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বুক, পিঠ এবং কিছু ক্ষেত্রে মাথায় দেখা যায় I তবে এটিও ক্যান্সার বা অন্য কোনো ক্ষতি সাধন করে না I

সেবোরহেইক কেরাটোসিস (Seborrheic Keratoses)
সেবোরহেইক কেরাটোসিস (Seborrheic Keratoses)

রংঙের উপর ভিত্তি করে তিলের প্রকারভেদঃ

বিভিন্ন রঙের তিল হয়। যেমন-

কালো তিল

মেলানিন ত্বকের কোন স্থানে বেশি মাত্রায় জড়ো হলে কালো তিল হয়।

লাল তিল

সাধারণত ত্বকের নীচেই অবস্থিত কোনো শিরা বা ধমনির স্ফীতি ঘটলে ত্বকের উপরে এই রকম লাল তিল বা আঁচিল তৈরি হয়।

বাদামী তিল

মেলানিন সংশ্লেষণ সুষমভাবে না হলে শ্বেতাঙ্গ লোকদের ত্বকে এই ধরণের বাদামী তিল বেশি দেখা
তিল চিহ্ন থেকে ভাগ্য বিচার

তিল কখন বিপদের কারণ হয়?

এতক্ষণ তো জানলেন তিলের ইতিবৃত্ত সম্পর্কে I কিন্তু ঠিক কোন কোন ক্ষেত্রে আপনার তিল আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে? এবার এটা জানুন।

একটি স্বাভাবিক তিল বা আঁচিল কোনো বিপদ তৈরি করেনা তবে নিচের লক্ষণ গুলো কারো তিলে প্রকাশ পেলে তিলটি তার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। এক্ষেত্রে, তিলের বিপদ চিহ্ন গুলোকে ABCDE আকারে ধরে নিয়ে আলোচনা করা হলো।

  1. (A)অপ্রতিসাম্য (Assymetry): এ ক্ষেত্রে তিলের এক প্রান্তের সাথে আরেক অংশের সমতা থাকে না।
  2. (B)প্রান্তীয় অংশ (Border): তিলের সীমান্ত বা প্রান্তগুলো ঝাপসা বা irregular হয়ে থাকে ।
  3. (C)বর্ণ (Colour): তিলের বর্ণ সব জায়গায় সমান না হয়ে কিছু অংশে ট্যান, বাদামি, কালো, নীল, সাদা বা লাল রঙের শ্যাডো পরিলক্ষিত হয় ।
  4. (D)ব্যাস (Diameter): একটি তিল আকারে পেন্সিল ইরেজার চেয়ে বড় হয় ।
  5. (E)বিবর্তন (Evolution): তিলের আকার, আকৃতি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে ।

তিল বা আঁচিল কি ক্ষতিকর?

সাধারণত এই তিল বা আঁচিল ক্ষতিকারক তো হয়ই না, বরং খুব স্বাভাবিক একটি ঘটনা। জীবনের প্রথম ২৫ বছরের মধ্যে ১০-৪০টি তিল প্রায় সকলের শরীরেই থাকে।

আবার অনেক সময় এই তিল বা আঁচিল সময়ের সাথে সাথে বিলীন হয়ে যায়, আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার বর্ণ, আকার এবং উপস্থিতি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে থাকে।

পরিশেষে, একটাই কথা বলবো যে তিল বা আঁচিল বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষতিকারক নয় I তবুও যদি আপনার মনে কখনো সংশয় সৃষ্টি হয় অথবা উপরে উল্লেখ্যিত কোনো লক্ষণ প্রকাশিত হয় অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন I

তিল বা আঁচিলের অপারেশন

সাধরণত ডার্মো সার্জারির মাধ্যমে তিল বা আঁচিলের অপারেশন করা হয়। ডার্মো সার্জারি একটি নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি। অনেক সময়ে ইলেকট্রো সার্জারিও করা হয়। তিল বা আঁচিল দূর করতে লেজার ও ক্রায়ো সার্জারির ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়।

অ্যালোভেরা,ডালিমের রস, মধু ব্যবহার করুন

মুখের তিল দূর করার উপায়
ঘরে থাকা কিছু উপকরণ ব্যবহার করে তিল দূর করা যায়। বহুলব্যবহৃত কিছু উপকরণ গুলো হলো-

Total Time: 7 days

আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার

আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার

অল্প পরিমাণে আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে এক টুকরো তুলো ভিজিয়ে রাখুন। তুলার টুকরাটি তিলের উপরে মিনিট দশেক রাখুন। ধরে রাখার সময় হাত লেগে গেলে টেপ ব্যবহার করতে পারেন। কমপক্ষে 7 দিন একটানা দিনে দুবার ব্যবহার করুন। সপ্তাহের শেষে আপনার তিলটি আর দেখতে পাবার সম্ভাবনা কম।

রসুন ব্যবহার

রসুন ব্যবহার

দুটি রসুনের খোসা ছাড়িয়ে পিষে নিন ভালোমত। এরপর রসুনের পেস্টের সাথে ময়দা ও এক চিমটি লবণ যুক্ত করুন। সব উপাদান ভালোমত মিশিয়ে নতুন পেস্ট বানান। এই পেস্টটি দিনে তিনবার তিলে লাগান। টেস্ট মিনিট পাঁচেক রাখার পর ভালোকরে সাবান দিয়ে ধুলে ফেলুন। তিল দূর না হওয়া পর্যন্ত এটি করতে থাকুন।

বেকিং সোডা ব্যবহার করুন

বেকিং সোডা ব্যবহার করুন

৪ঃ১ অনুপাতে অর্থাৎ ৪ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও ১ টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি তিলের উপর প্রলেপ দেয়ার মত করে লাগান এবং এক ঘন্টা রেখে দিন। এর পর সাবান পানি দিয়ে ভালোমত ধুয়ে ফেলুন। ৪ দিন একটানা দিনে দুবার প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

আয়োডিন ব্যবহার

আয়োডিন ব্যবহার

৫:১ অনুপাতে পানি ও আয়োডিন মেশান। এই মিশ্রণে কটনবার,তুলা বা সুতি কাপড় ভিজিয়ে নিন এবং তিলের উপর ৫ মিনিট চেপে ধরে রাখুন। এরপর হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৪-৫ দিনের মধ্যে তিল ভ্যানিস হয়ে যাবে আশাকরা যায়। মিশ্রণটি ত্বকের ভালো অংশে যাতে না লাগে সেটা খেয়াল রাখুন।

ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করুন

ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করুন

ক্যাস্টর অয়েল এক টুকরো তুলায় লাগিয়ে নিন অথবা আঙ্গুলে লাগিয়ে তিলের উপর বৃত্তাকারে ম্যাসেজ করুন। দিনে দুবার করে এক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

অ্যালোভেরা,ডালিমের রস, মধু ব্যবহার করুন

অ্যালোভেরা,ডালিমের রস, মধু ব্যবহার করুন

উপরের উপাদানগুলো তিলের উপর ১০ ঘন্টা রেখে দিন।তারপর ভালো করে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।১৫-৩০ দিনের মধ্য ভালোফল আশাকরা যায়।

তিল দূর করার ক্রিম

তিল দূর করার ক্রিম বাজারে তেমন প্রচলিত নয় তবে আপনি চাইলে বড়বড় সুপার সপ থেকে ক্রিম গুলো কিনতে পারেন। সাধারণত 2% হাইড্রোকুইনোনযুক্ত ক্রিম তিলের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

এই ক্রিম আপনি কোনও প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কিনতে পারেন। হাইড্রোকুইনোন জাতীয় ক্রিম দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেললে ত্বকে মেলানিনের উপস্থিতি হ্রাস করতে সহায়তা করে। ক্রিমটি যেন ত্বকের ভালো অংশে না লাগে সেটা নিশ্চিত হতে হবে।

2% হাইড্রোকুইনোনযুক্ত ক্রিম
2% হাইড্রোকুইনোনযুক্ত ক্রিম

আঁচিল দূর করার সহজ উপায়

ঘোড়ার লেজের চুল ব্যবহার করুন

ঘোরার লেজের চুল সংগ্রহ করে আঁচিলের গোড়ায় শক্ত করে বাঁধুন। আঁচিল পরে না যাওয়া পর্যন্ত বাঁধন কোনভাবেই খুলবেন না। চুলের বাঁধনের ফলে আঁচিলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হবে। রক্তের অভাবে আঁচিল খাদ্য পাবেনা। এর ফলে খাদ্যের অভাবে আঁচিল ৭২-৯৬ ঘন্টার মধ্যে মরে যাবে এবং ত্বক থেকে খসে পরবে।

ঘোড়ার লেজের চুল ব্যবহার করুন
ঘোড়ার লেজের চুল ব্যবহার করুন

পেঁয়াজের রস ব্যবহার করুন

পেঁয়াজ কুচি করে কেটে একটি পাত্রে সারা দিন ঢেকে রেখে দিন। রাতে ঘুমানোর আগে পেঁয়াজ কুচির সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে আঁচিলে লাগিয়ে দিন। কোন রাতে মিছ করা যাবে না।সকালে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে আঁচিল পরে যেতে পারে।

পেঁয়াজের রস ব্যবহার করুন
পেঁয়াজের রস ব্যবহার করুন

টি ট্রি তেল ব্যবহার করুন

টি ট্রি তেল সম্পূর্ণভাবে আঁচিল নির্মূল করতে পারে। কিছু তুলা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার টি ট্রি অয়েল ভেজা তুলাতে নিয়ে আঁচিল হওয়া ক্ষতস্থানে ঘষতে থাকুন। প্রতিদিন এই কাজ করলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে আপনার আঁচিল দূর হবে।

টি ট্রি তেল ব্যবহার করুন
টি ট্রি তেল ব্যবহার করুন

কলার খোসা ব্যবহার করুন

আঁচিল দূর করার একটি উত্তম উপায় হলো কলার খোসা। তাজা পাকা কলার খোসা ত্বকে আচিল শুঁকিয়ে যেতে সাহায্য করে। পাকা কলার খোসার ভেতরের অংশ সংগ্রহ করে পিষে পেস্ট বানান।পেস্টটি আঁচিলের উপর লাগিয়ে ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিন। প্রতিদিন ১ ঘন্টা এভাবে রাখুন। এক সপ্তাহের মধ্যে আঁচিল আঁচিল শুকিয়ে পড়ে যাবে।

কলার খোসা
কলার খোসা

টুথপেস্ট দিয়ে আঁচিল দূর করতে পারেন

কোলগেট টুথপেস্ট হাতের আঙ্গুলের উপর ২ আঙ্গুল পরিমাণ বের করুন, এর মধ্যে এক চামচ বেকিং সোডা ও এক চামুচ ক্যাস্টর ওয়েল মেশান। ভালোমত নেড়েচেড়ে পেস্ট বানান।
এই পেস্ট প্রতিদিন আঁচিলের উপর রেখে ম্যাসেজ করুন তারপর ৫ ঘন্টার মত রেখে দিন। এরপর ভালোকরে ধুয়ে ফেলুন। এক সপ্তাহের মধ্যে আঁচিল পরে যাবে।

পেস্ট দিয়ে আঁচিল দূর করা
পেস্ট দিয়ে আঁচিল দূর করা

Til o Achil ki?

Til ki? Achil ki? Til keno hoy? Achil keno hoy? til dur korar upay? Achil dur korar upay. Til dur korar cream. tilok ki? kalo til, lal til badami til, What is til? description of mole in babgla.

মূল লেখক

শ্রীময়ী চক্রবর্তী

By …. Pacemaker santo

https://kotokisuojana.com

লেখাটি ভালো লাগলে আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুণ।জ্ঞান বিতরণে সাহায্য করুন। আপনি ভালো লিখতে পারলে এই ওয়েবসাইট এ লেখা পাঠান।লেখা মনোনীত হলে পুরস্কার পাবেন।

আপনার মাথায় উদ্ভট কোন প্রশ্ন ঘুরছে কিন্তু উত্তর পাচ্ছেন না। তাহলে দেরি না করে এই পোস্টের নিচে কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন টি লিখুন।উত্তর পাবেন নিশ্চিত।

All photo credit Goes to sutterstock.com

93 / 100

2 thoughts on “তিল বা আঁচিল কেন হয়? আঁচিল কি শরীরের জন্যে ক্ষতিকর?”

Leave a Comment