তোতলামি কি|তোতলামির কারণ|তোতলামির প্রতিকার,তোতলামির ঔষধ|

তোতলামি কি|তোতলামির কারণ|তোতলামির প্রতিকার,তোতলামির ঔষধ|

একটি ঘটনা শুনুন, গুরুচরণ রায় একজন চাকুরি প্রার্থী। ভাইবা বোর্ডে তাকে প্রশ্ন করা হলো আপনার নাম কি? গুরুচরণ রায় নাম বলতে শুরু করলেন- গু..গু..গু.. গুরু..গুরুচরণ।ভাইবা বোর্ডের সবাই নাক মুখ কুঁচকে বললেন কিহ্!!!

তোতলামি কি তোতলামির কারণ তোতলামোর প্রতিকার,ঔষধ

এবার ভাবুন তো গুরুচরণ দাদার ভাইবা কেমন হয়েছে? এই অবস্থার সাথে অনেরই পরিচয় আছে বেচারা গুরুচরণ দাদার তো কোন দোষ নেই।কারণ সে তোতলা,তোতলামি তার একটি রোগ।পৃথিবীর প্রায় ৭ কোটি মানুষ এই তোতলামি রোগে আক্রান্ত। আসুন জেনে নেই তোতলামি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

তোতলামি কি?

তোতলামো কি?

তোতলামি শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Stuttering,Dysphemia বা Stammering. স্বাভাবিক কথা বলার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে কোন শব্দ বা শব্দাংশ বারবার উচ্চারণ করা বা একটি ধ্বনি দীর্ঘক্ষণ উচ্চারণ করা কে তোতলামি(তোতলামো) বলে।

তোতলামি এক ধরণের রোগ। যে সব মানুষ তোতলায় তাদের তোতলা বলে।তোতলা মানুষ কথা
বলার সময় কোন শব্দ উচ্চারণ করতে গিয়ে আটকে যায়।তোতলা মানুষরা জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বস্তিবোধ করে৷কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করতে চায় না৷ অন্যের হাসির পাত্র হওয়ার ভয়ে সবসময় গুটিয়ে থাকে।এরা একা,নিভৃতে থাকতে পছন্দ করে। অনেকের কাছে জীবন বিষণ্ণ ও দুর্বিষহ মনে হয়।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের তোতলামি

আপনি তোতলা হয়ে থাকলে ভয় পাবেন না বা খুব হীনম্মন্যতায় ভুগবেন না।কারণ অনেক বিখ্যাত মানুষ তোতলা ছিলো।যেমন-বিখ্যাত বই “Alice’s Adventures in Wonderland” বইয়ের লেখক Lewis Carroll তোতলা ছিলেন।২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময়কার ব্রিটিশ প্রেসিডেন্ট “উইনস্টন চার্চিল ” তোতলা ছিলেন।নবী মুসা(আঃ) তোতলা ছিলেন।

উইনস্টন-চার্চিল
উইনস্টন-চার্চিল

তোতলামি সম্পর্কে অবাক তথ্য

  • তোতলামি যেকোন বয়সি মানুষের হতে পারে।২থেকে ৬ বছর বয়সি শিশুদের তোতলামি সমস্যা বেশি দেখা যায়।
  • ছেলেদের তোতলামি সমস্যা মেয়েদের তুলনায় প্রায় ২-৩ গুন বেশি।ছেলেরা বেশি তোতলা হয়।৫জন তোতলা ছেলের বিপরীতে মাত্র একজন তোতলা মেয়ে আছে।
  • পৃথিবীর প্রায় ১% মানুষ তোতলা।প্রায় ৩০ লক্ষ আমেরিকান মানুষ তোতলা।পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি তোতলা মানুষের বসবাস পশ্চিম আফ্রিকাতে।এদের ৫-৬% মানুষই তোতলা।(তোতলামি কি)

বাচ্চাদের তোতলামি

শিশুদের তোতলামি

পৃথিবীর প্রায় সব শিশুই কথা বলা শেখার শুরুতে তোতলায়।কেউ ন্যূনতম ১সপ্তাহ তোতলায়।৭৫% শিশুদের তোতলামো বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে কমতে থাকে এবং একসময় ভালো হয়ে যায়।কিন্তু ২৫% শিশুদের তোতলামি সারাজীবন স্থায়ী হয়।বাচ্চাদের তোতলামি  ৫ বছর হওয়ার পরও যদি তোতলামো, না কমে তখন সেটাকে সমস্যা হিসেবেই নেওয়া উচিত। 

তোতলামি সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা

মানুষ তোতলায় কেন? একথা জিজ্ঞেস করলে সবাই একসাথে উত্তর দেবে “আলা বা আল জিহ্বা” খাটো হলে তোতলায়। আবার মুরব্বিররা বলে ছোটবেলায় পান খেলে জিহ্বা ভারি হয় তাই বড় হলে বাচ্চারা তোতলায়। একটু হেসে নিন তারপর উত্তর বলছি… হুম! এবার শুনুন “আল জিহ্বা খাটো হলে বা পান খেলে মানুষ তোতলায় না।”এটা একটা কুসংস্কার। তাহলে শুনুন আসল কারণ।

তোতলামির কারণ

তোতলামির সুনির্দিষ্ট কোন কারণ আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি।তবে কিছু ধারণাকৃত কারণ সনাক্ত করা
হয়েছে।যেমন-

  • ১।ভোকাল কার্ডের কাঠিন্যঃমানুষ কথা বলে স্বরযন্ত্রের সাহায্যে। এই স্বরযন্ত্রের একটি অংশ হলো ভোকাল কর্ড।ভোকাল কর্ডের কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়।ভোকাল কর্ড স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি শক্ত হলে ঠিকমত কম্পিত হয় না তখন তোতলামির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • ২।কথা বলার সময় বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের প্রয়োজন হয় যেমন- জিহ্বা, তালু, গলার পেশি,স্বরযন্ত্র, ফুসফুস ইত্যাদি। এই অঙ্গগুলো মস্তিষ্কের বিভিন্ন স্নায়ুর দ্বারা ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমে শব্দ সৃষ্টি করে এর ফলে আমরা কথা বলতে পারি।এই অঙ্গগুলোর মধ্যে সংযোগ সৃষ্টিকারী স্নায়ুর সমস্যা দেখা দিলে অঙ্গগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রনে থাকে না ফলে ঠিকমতো শব্দ উচ্চারণ করা যায় না।একারণে তোতলামির সমস্যা দেখা দেয়।
  • ৩। মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব সহ আরো অনেক অংশ থেকে মানুষের কথা বলা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই অংশ গুলো কোন কারণে নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেললে বা দুর্বল হলে স্বাভাবিক কথা বলার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।একারণে তোতলামির সমস্যা দেখা দেয়।
  • ৪।বংশগত(Genetic) কারণে তোতলামি রোগ হতে পারে। বাবা-মায়ের তোতলামো রোগ থাকলে সন্তানের ক্ষেত্রে এই রোগ দেখা দিতে পারে।
  • ৫।শিশুকালে কেউ মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার কারণেও তোতলামো সমস্যা দেখা দিতে পারে।কারণ মাথায় আঘাতের ফলে মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
  • ৬। শিশুরা যখন কথা বলতে শেখে তখন তারাতারি কথা বলা শেখার জন্যে জোরজবরদস্তি করলে শিশুদের মধ্যে তোতলামো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার অনেক বাবা-মা শিশুদের দ্রুত শব্দ উচ্চারণ করতে চাপ দেয়।এটিও তোতলা শিশু সৃষ্টির একটি বড় কারণ।(তোতলামি কি)
ভোকাল-কর্ড
ভোকাল-কর্ড
  • ৭। বিভিন্ন ধরণের রোগের কারণেও তোতলামির সমস্যা দেখা দেয়।যেমন-স্ট্রোক,ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরি(মাথায়আঘাতপ্রাপ্ত রোগী),আলজাইমার,ডিমেনসিয়া,গুলেনবারী সিনড্রোম,মোটর নিউরণ ডিজিজ,সিজোফ্রেনিয়া,পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার , আংজাইটি ডিজর্ডার,বিষন্নতা,মাসকুলার ডিজট্রোফি,মেনিনজাইটিস ইত্যাদি।

তোতলামির লক্ষণ

  • ১। কোন শব্দের প্রথম বর্ণ বারবার উচ্চারণ করা।যেমন- কা..কা…কা..কালো।
  • ২। শব্দের শেষ বর্ণ দীর্ঘক্ষণ উচ্চারণ করা।যেমন- তোমাকে..কে..কে…কে ভালোবাসি।
  • ৩।বাক্যের শেষ শব্দটি দুইবার বলা।যেমন- পাখি পাকা পেপে খায়…খায়।
  • ৪। বাক্যের মাঝে হঠাৎ শব্দ উচ্চারণ করতে না পারা।যেমন- আমি তোমাকে…. (ভালো)….বাসি।
  • ৫। শব্দাংশের বারবার উচ্চারণ। যেমন- পাদ..পাদ..পাদরি।
  • ৬। অতিরিক্ত ধ্বনি উচ্চারণ।যেমন- ইইইই…গণেশ পোদ..পোদ্দার।
  • ৭। কথা বলার সময় অস্বাভাবিক অঙ্গভঙ্গি করা।যেমন- ঠোট ও চোয়াল অতিরিক্ত কাপা,মুখ বিকৃত করে উচ্চারণ করা,মাথা ঝাঁকানো, গলা ফুলে তোলা, শরীর বাঁকানো,চোখ বারবার পিটপিট করা ইত্যাদি।
কথা বলতে কষ্ট হয়

তোতলা মানুষদের কথা বলতে কষ্ট হয়।জিহ্বা ঠিকমত মস্তিষ্কের নির্দেশ মানে না বলে কথা বলতে কষ্ট হয়। অনেক সময় দুই এক লাইন কথা বলার পর পর এদের দম ফুরিয়ে যায়। রেগে গেলে আরো বেশি কথা বলতে কষ্ট হয়।অনেকে গোঁগোঁ শব্দ করে।

তোতলামোর প্রকারভেদ

১। ডেভেলপমেন্টালঃ শৈশবকালে কথা বলতে শেখার শুরুতে যে তোতলামি দেখা দেয় তাকে ডেভেলোপমেন্টাল তোতলামি বলে।ডেভেলোপমেন্টাল তোতলামি কে অনেকে বাচ্চাদের তোতলামি বলে।

২।নিউরোজেনিক তোতলামিঃ কথা বলা নিয়ন্ত্রনকারী স্নায়ুর সমস্যাজনিত তোতলামি।

৩। সাইকোলোজিকেল তোতলামিঃ তিব্র ভয় পেলে,প্রচণ্ড রেগে গেলে অথবা অতিরিক্ত বিষণ্ণতার ফলে উদ্ভূত তোতলামি।(তোতলামি কি)

তোতলামি সমস্যা কাটানোর উপায়

তোতলামির সমাধান

তোতলামি নিরাময়ের উপায়

গলা নরম করে কথা বলতে হবে

তোতলামি নিরাময়ের উপায়/তোতলামির সমাধান

1 Month 1 minute

মোবাইলে কথা বলা

মোবাইলে-কথা-বলা

তোতলামো নিয়ে ভয় না পেয়ে সাহসিকতার সাথে তোতলামি দূর করার পথ খুজে বের করা।মানুষের হাস্যরসের পাত্র হওয়ার ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে না রেখে বেশি বেশি কথা বলার চেষ্টা করতে হবে।মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করতে হবে,কারণ মোবাইলে কথা বললে শ্রোতা সামনে থাকেনা,এতে বক্তার আত্মবিস্বাস বাড়ে, লজ্জিত হওয়ার ভয় কমে।এই অভ্যাস তোতলামির সমাধান হিসেবে ভালো কাজ করে।এটি তোতলামি নিরাময়ের উপায় হিসেবে বেশ ব্যবহৃত হয়।

বক্তব্য রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা

বক্তব্য রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা

পরিচিত মানুষদের নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করে তাদের সামনে বক্তব্য রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।এই অভ্যাস তোতলামির সমাধান হিসেবে স্পিচ থেরাপির সময় ব্যবহৃত হয়।

শব্দ বারবার উচ্চারণ করে
আয়ত্বে আনতে হবে।তোতলামির ব্যায়াম

শব্দ বারবার উচ্চারণ করে আয়ত্বে আনতে হবে

কথা বলার সময় যেসব শব্দ উচ্চারণ করতে কষ্ট হয় বা আটকে যায় সেসব শব্দ বারবার উচ্চারণ করে আয়ত্বে আনতে হবে।এর পরেও কাজ না হলে ঐ শব্দগুলোর বিকল্প শব্দ ব্যবহার করতে হবে অথবা এরিয়ে যেতে হবে।এটি তোতলামির ব্যায়াম এর অন্তর্ভুক্ত।

গলা নরম করে কথা বলতে হবে

গলা নরম করে কথা বলতে হবে

কথা বলার সময় গলা নরম করে কথা বলতে হবে। কণ্ঠস্বর চেপেচেপে ধীরগতিতে কথা বলার অভ্যাস করতে হবে।প্রয়োজনে ২- ৩ সেকেন্ড থেমে থেমে কথা বলুন।দ্রুতগতিতে কথা বলতে সমস্যা হলে ধীরে কথা বলার চেষ্টা করতে হবে।একে তোতলামির ব্যায়াম ও বলা হয়।

উত্তরটি বলার আগেই মাথায় সাজিয়ে নিন

উত্তরটি বলার আগেই মাথায় সাজিয়ে নিন

ধরুন আপনি বক্তব্য দেবেন বা কোন প্রশের উত্তর দেবেন,এসময় আপনার বক্তব্য বা উত্তরটি বলার আগেই মাথায় সাজিয়ে নিন এবং মনে মনে বারবার বলার চেষ্টা করুন।এতেকরে আপনার কথা বলার গতি কমে যাবে না।একবার কথা বলার গতি পেয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার আর কথা আটকাবে না তাই আপনি আর তোতলাবেন না।এই অভ্যাস তোতলামির সমাধান হিসেবে ভালো কাজ করে।

গান গাওয়া

গান-গাওয়া

গান গাওয়ার সময় মানুষের মস্তিষ্কের ডান অংশ সক্রিয় থাকে,সাধারণ কথা বলার সময় বাম অংশ সক্রিয় থাকে। তোতলানোর সময় মস্তিষ্কের এক অংশ অন্য অংশের সমস্যা কাটাতে চেষ্টা করে৷তাই গান গাওয়ার সময় মানুষ তোতলায় না। নিয়মিত গানের চর্চা করলেও এক সময় তোতলামো সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়।এটি তোতলামি নিরাময়ের উপায় হিসেবে বেশ ব্যবহৃত হয়।

মুখে মার্বেল দিয়ে রাখুন

মুখে মার্বেল দিয়ে রাখুন

প্রয় একমাস দৈনিক ৬-৭ঘন্টা করে মুখে একটি কাচের মার্বেল দিয়ে রাখুন। এতে যারা স্বল্প মাত্রায় তোতলায় তাদের তোতলামি কমে যাবে।

তোতলামির চিকিৎসা

উপযুক্ত চিকিৎসায় তোতলামি পুরোপুরি ভালো হয়।
  • নির্ভরযোগ্য তোতলামির চিকিৎসা হলো থেরাপী। থেরাপি ৩টি পর্যায়ে বিভক্ত যথা-১।ইন্ডিভিজুয়াল থেরাপি ২। গ্রুপ থেরাপি ৩।কাউন্সেলিং থেরাপি।১ ও ২ নং পর্যায় স্পিচ থেরাপির অন্তর্ভুক্ত। সবচেয়ে জনপ্রিয় স্পিচ থেরাপি হলো মিডভ্যাস পদ্ধতি।এই পদ্ধতির প্রধান কৌশল হলো- স্পিচ রেট কমানো,ব্রিদিং প্যাটার্ন ঠিক করা,মাসুল টেনশন কমানো,এবং মনোবল বাড়ানো।
স্পিচ-থেরাপি
স্পিচ-থেরাপি/তোতলামির চিকিৎসা
  • Mobile applications(এন্ড্রয়েড এপস্)ঃ- speech blubs:Language therapy,Speech Therapy for kids and babies,Speech Essential Therapy App ইত্যাদি এপস্ ব্যবহার করে আপনি ঘরে বসেই স্পিচ থেরাপির সুবিধা নিতে পারেন বিনামূল্যে।এপস্ গুলি Google Playstore থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • Electronic fluency device :বাজারে স্পিচ থেরাপি দেয়ার মেশিন কিনতে পাওয়া যায়। এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজে তোতলামি সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন ডাক্তারের সাহায্য ছাড়াই।

তোতলামির ডাক্তার

স্পিচ থেরাপি যিনি দেন তাকে স্পিচ থেরাপিস্ট বা তোতলামির ডাক্তার বলে।তোতলামির ডাক্তার খুবই ধৈর্যবান হন।তারা রোগির উপর রাগ না করে বারবার চেষ্টা করে যান রোগির সমস্যা দূর করতে।তোতলামির ডাক্তার বিভিন্ন কৌশলে ছোট বাচ্চাদের স্পিচ থেরাপি দেন।

স্পিচ থেরাপি কোথায় পাওয়া যায়

স্পিচ থেরাপি কোথায় পাওয়া যায়

স্পিচ থেরাপি কোথায় পাওয়া যায়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লকের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত স্পিচ থেরাপি সেন্টার।২০০৪ সালে এই স্পিচ থেরাপি সেন্টার চালু হয়েছে।(স্পিচ থেরাপি কোথায় পাওয়া যায়)

বিএসএমএমইউ (সাবেক পিজি হাসপাতাল) কম খরচে স্পিচ থেরাপির চিকিৎসা দেয়া হয়।এখানে চারজন স্পিচ থেরাপিস্ট চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।শনি থেকে বৃহস্পতিবার সপ্তাহে ছয় দিন, সকাল ৮টা থেকে ২.৩০ পর্যন্ত ডাক্তার বসেন এবং রোগির চিকিৎসা দেন।এখানে প্রথমবার সাক্ষাতের সময় ১০০টাকা এবং পরবর্তী সাক্ষাতের সময় ৫০টাকা নেয়া হয়।(স্পিচ থেরাপি কোথায় পাওয়া যায়)

এছাড়াও আরও কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি হলো- Fluency shaping therapy,Modification therapy,MAF (Masking auditory feedback),DAF (Delayed auditory feedback) ইত্যাদি।

আরও পড়ুন :সাপ কি জিহ্বা দিয়ে শোনে? আনারস ও দুধ একসাথে খেলে কি মৃত্যু হয়?

তোতলামি কি|তোতলামির কারণ|তোতলামোর প্রতিকার,ঔষধ|

তোতলামি কি|তোতলামির কারণ|তোতলামির প্রতিকার,ঔষধ|

তোতলামির ঔষধ

তোতলামির ঔষধ কি?তোতলামি পুরোপুরি সারাতে পারে এমন ঔষধ এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি।আমেরিকার ঔষধ প্রশাসন(FDA) তোতলামির ঔষধ অনুমোদন করেনি।তবে স্বল্প মাত্রার তোতলামির চিকিৎসা করতে অনেক তোতলামির ঔষধ ব্যবহার করা হয়।এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি তোতলামির ঔষধ হলো-alprazolam(Xanax),citalopram(Celexa),clomipramine(Anafranil),Olanzapine,Risperide and haloperidol ইত্যাদি।(তোতলামি কি/তোতলামির ঔষধ কি)

সেবন মাত্রা

alprazolam (1.0 mg) দিনে দুইবার।citalopram (10 mg) রাতে ঘুমানোর আগে।clomipramine (100 mg) রাতে ঘুমানোর আগে।

References:

Brady JP. The pharmacology of stuttering: a critical review. Am J Psychiatry 1991;1448: pages 1309-16.Brady JP, Rynn M. Stuttering: current pharmacological options. CNS Drugs 1994;1: 261-268. Johnson W., Darley F.L., Spriesterback D.C. Scale for rating severity of stuttering.In: Diagnostic methods in speech pathology. New York: Harper and Row, 1963

totlami ki?

Totlami ki? totlamir karon ki? totlamir medicine ki?totlamir treatment ki?totlami saranor upay, sisuder totlami,totlami niramoyer upay ki?

pacemaker santo

https://kotokisuojana.com

লেখাটি ভালো লাগলে আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুণ।জ্ঞান বিতরণে সাহায্য করুন। আপনি ভালো লিখতে পারলে এই ওয়েবসাইট এ লেখা পাঠান।লেখা মনোনীত হলে পুরস্কার পাবেন। আপনার মাথায় উদ্ভট কোন প্রশ্ন ঘুরছে কিন্তু উত্তর পাচ্ছেন না। তাহলে দেরি না করে এই পোস্টের নিচে কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন টি লিখুন।উত্তর পাবেন নিশ্চিত।

তোতলামি কি

তোতলামি কি

totlami,totlamo,totlami ki?

তোতলামি কি

তোতলামি কি

90 / 100

Leave a Comment