রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

Table Of Contents
  1. রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?
  2. রেডিয়েশন থেরাপি কিভাবে দেয়া হয়?

রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

প্রাণী ছোট থেকে বড় হয় কোষ বিভাজনের কারণে। দেহের ক্ষয়পূরণ হয় কোষ বিভাজনের কারণে। প্রাণির বেঁচে থাকার জন্য একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া হলো কোষ বিভাজন। কিন্তু এই অপরিহার্য প্রক্রিয়া কোন কারণে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পরলে আর রক্ষে নাই।

অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের কারণে সৃষ্টি হয় ভয়ংকর মারণ রোগ ক্যান্সার। ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য যেসব চিকিৎসা পদ্ধতি আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২টি পদ্ধতি হলো কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি। কেমোথেরাপি সম্পর্কে অনেকেই বেশ ভালো জ্ঞান রাখেন কিন্তু রেডিয়েশন থেরাপি অনেকের কাছে অজানা।

আসুন আজ আলোচনা করি রেডিয়েশন থেরাপি বা রেডিও থেরাপি সম্পর্কে।রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

আপনি আরো পড়তে পারেন…… কেমোথেরাপি কী? কেমোথেরাপির ইতিহাস,কেন ও কিভাবে দেয়া হয়? ……. রেডিওথেরাপি দিলে চুল পরে কেন?

About Radiation therapy

রেডিয়েশন থেরাপি

রেডিও আইসোটোপ থেকে উৎপন্ন উচ্চমাত্রার রেডিয়েশন প্রয়োগ করে যে থেরাপি বা চিকিৎসা দেয়া হয় তাকে রেডিয়েশন থেরাপি বা রেডিও থেরাপি বলে।

রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?
রেডিয়েশন থেরাপি

রেডিয়েশন থেরাপি কী?

প্রথমে জানতে হবে রেডিও আইসোটোপ কি? ১১৮টি ভিন্ন ভিন্ন মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করা হয়েছে।এই মৌলিক পদার্থগুলো অসংখ্য পরমাণু নিয়ে গঠিত। প্রত্যেক পরমাণু ইলেকট্রন, প্রোটন,নিউট্রন নামক ৩টি মৌলিক কণা দিয়ে গঠিত। ইলেকট্রন পরমাণুর কেন্দ্রের বাইরে কক্ষপথে ঘুরাঘুরি করে আর প্রোটন ও নিউট্রন কেন্দ্রে অবস্থান করে। একটি পরমাণুকে সুস্থিত অবস্থায় থাকতে হলে মৌলিক কণা গুলোর সংখ্যায় ভারসাম্য থাকতে হয়।

পরমাণুর মৌলিক কণিকা
পরমাণুর মৌলিক কণিকা

যদি প্রোটন সংখ্যার চেয়ে নিউট্রন সংখ্যা বেশি হয় তাহলে পরমাণু অস্থিতিশীল হয়ে যায়। এই অস্থিতিশীল পরমাণুকে স্থিতিশীল পরমাণুর আইসোটোপ বলে। কিছু আইসোটোপ থেকে প্রকৃতিকভাবে উচ্চ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট্য অদৃশ্য আলোকরশ্মি উৎপন্ন হয় একে রেডিয়েশন বা বিকিরণ বলে। যেসব আইসোটোপ এরকম রেডিয়েশন উৎপন্ন করার ক্ষমতা রাখে তাকে রেডিও আইসোটোপ বলে।

আইসোটোপ ও রেডিও আইসোটোপ
আইসোটোপ ও রেডিও আইসোটোপ

রেডিও আইসোটোপ থেকে উৎপন্ন রেডিয়েশন জীবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। রেডিয়েশন দেহের কোষে প্রবেশ করলে কোষের জীবনকাল হ্রাস পায় অথবা মৃত্যু ঘটে। তবে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে নির্দিষ্ট কোষের উপর প্রয়োগ করলে শুধু ঐ নির্দিষ্ট কোষের মৃত্যু ঘটে। এই কৌশল কাজে লাগিয়ে ভালো কোষকে না মেরে বেছেবেছে শুধু ক্যান্সার কোষকে মারার জন্য রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হয়।

ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি হ্রাস করা বা খাদ্য সংগ্রহে বাধা দেয়া অথবা সরাসরি মেরে ফেলার জন্য রেডিও আইসোটোপ থেকে উৎপন্ন উচ্চমাত্রার রেডিয়েশন প্রয়োগ করে যে থেরাপি বা চিকিৎসা দেয়া হয় তাকে রেডিয়েশন থেরাপি বা রেডিও থেরাপি বলে।

merrium webster

রেডিয়েশন থেরাপি কেন দেয়া হয়?

সুস্থ কোষকে বাঁচিয়ে রেখে শুধু ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করা বা মেরে ফেলার জন্য রেডিয়েশন থেরাপি প্রয়োগ করা হয়।

কখন রেডিয়েশন থেরাপি দেয়া হয়?

রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে এই থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। ক্যান্সার কোষের ধরণ পর্যবেক্ষণ করে থোরাপি দেয়া হয়। যেসব ক্ষেত্রে রেডিও থেরাপি প্রয়োগ করা হয় তা আলোচনা করা যাক-

  • ১। ক্যান্সার কোষের ছড়িয়ে পরা বন্ধ করার জন্য।
  • ২। ক্যান্সার কোষকে সমূলে বিনাশ করার জন্য।
  • ৩। ক্যান্সার কোষের আকৃতি হ্রাস করার জন্য।
  • ৪। টিউমার সংকুচিত করে টিউমার সেলের বিস্তার রোধ করার জন্য।
  • ৫। অস্ত্রোপচার করার পর টিউমার সেল যাতে পুনরায় জন্ম না নেয় সেজন্য রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হয়। সার্জারির পূর্বে ক্যান্সারের পরিধি কমিয়ে আনতে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হয়।
  • ৬। কেমোথেরাপি দিয়ে টিউমার সংকুচিত করার পর রেডিয়েশন প্রয়োগ করে অবশিষ্ট ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলা হয়।
  • ৭। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা এবং রক্ত সম্পর্কিত কিছু রোগের চিকিৎসাতেও রেডিও থেরাপি প্রয়োগ করা হয়।

রেডিয়েশন থেরাপি কিভাবে কাজ করে?

ক্যান্সার কোষের উপর রেডিয়েশন প্রয়োগ করলে উচ্চ মাত্রার রেডিয়েশনে উপস্থিত গামা রশ্মি বা এক্স রশ্মি ক্যান্সার কোষগুলোর খাদ্য সংগ্রহে বাধা দেয় অথবা কোষের প্রোটোপ্লাজম নষ্ট করে সম্পূর্ণ কোষকে মেরে ফেলে। কখনো ক্যান্সার কোষের DNA নষ্ট করে এর বৃদ্ধি রোধ করে।

রেডিয়েশন থেরাপি কিভাবে কাজ করে

নিয়মিত একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় রেডিয়েশন প্রয়োগের পর কোষের DNA ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফলে ক্যান্সার কোষগুলো ধিরে ধিরে মরে যায়।থেরাপি প্রয়োগের সাথে সাথেই ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হয় না। থেরাপি সম্পন্ন হবার কয়েকদিন, সপ্তাহ কখনো মাসখানেক পরে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো মারা গিয়ে ক্যান্সারের পরিধি কমতে শুরু করে।

রেডিয়েশন থেরাপির প্রকারভেদ

থেরাপি প্রয়োগের ধরণ,ক্যান্সারের ধরন, আক্রান্ত স্থানের ধরণ, টিউমার সেলের বৃদ্ধি হার, টিউমারের আকৃতি রোগীর রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় রেডিও থেরাপি কয়েক প্রকার হতো পারে যেমন-

এক্সটার্নাল বিম রেডিও থেরাপি

রেডিয়েশন উৎপন্নকারী মেশিনের সাহায্যে দূর থেকে রোগীর শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত স্থানে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হয়।

ইন্টারনাল রেডিও থেরাপি

ইন্টারনাল রেডিয়েশন থেরাপি
ইন্টারনাল রেডিয়েশন থেরাপি

ক্ষুদ্র আকৃতির তেজস্ক্রিয় ক্যাপসুল ক্যান্সার আক্রান্ত অংশের কাছাকাছি সার্জারির মাধ্যমে স্থাপন করা হয়। প্রতিদিন এই ক্যাপসুল থেকে রেডিয়েশন বের হয় এবং ক্যান্সার কোষের মৃত্যু ঘটায়। একে ব্রাকিওথেরাপি ও বলা হয়।

সিস্টেমিক রেডিও থেরাপি

তরল ইনজেকশনের সাথে রেডিও একটিভ মৌল মিশিয়ে দেয়া হয়।

প্রোটন বীম থেরাপি

উচ্চ শক্তি সম্পন্ন পজেটিভ চার্জযুক্ত প্রোটন কণা বিচ্ছুরণ ব্যবহার করে থেরাপি দেয়া হয়।

রেডিয়েশন থেরাপির ব্যবহার

ইন্টারনাল রেডিও থেরাপির একটি প্রকার হলো ব্রাকিওথেরাপি এটি সাধারণত চোখ, ঘাড়, স্তন,জরায়ু বা প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য প্রয়োগ করা হয়। সিস্টেমিক রেডিয়েশন ব্যবহার করা হয়ে থাকে থাইরয়েড গ্রন্থি এবং হরমোন সম্পর্কিত ক্যান্সারগুলির জন্য।

রেডিয়েশন থেরাপি কিভাবে দেয়া হয়?

রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

রেডিয়েশন থেরাপি কিভাবে দেয়া হয়?

Total Time: 1 hour

মেডিকেল টিম গঠন

মেডিকেল টিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় অভিজ্ঞ অনকোলোজিস্ট ও নার্স একত্রে একটি মেডিকেল টিম গঠন করে। অনেকসময় একাধিক ডাক্তার একটি টিমে যুক্ত হোন তাদের নেত্রীত্ব দেন একজন সিনিয়র প্রফেসর।

রেডিয়েশন মাত্রা নির্ধারণ

রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

প্রথমে রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট থেরাপির ধরণ এবং পদ্ধতির জন্য প্রয়োজনীয় ডোজ বা মাত্রার নির্ধারণ করবেন।

ইমেজ টেস্টিং

মেডিকেল টিমের পর্যবেক্ষণ

দেহের কোথায় রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হবে তার সঠিক নিশানা ঠিক করা হয়। সঠিক নিশানা সনাক্ত করতে ইমেজ টেস্টিং যেমন এক্সরে,আল্ট্রাসনোগ্রাফি, সিটিস্ক্যান ইত্যাদি করা হয়।

প্লাস্টার যুক্ত আবরণ পরানো

রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

রোগীকে একটি প্লাস্টার যুক্ত আবরণ পোশাকের মতো পরানো হয় যাতে রেডিয়েশন শুধু নির্দিষ্ট নিশানায় প্রবেশ করে এবং সুস্থ কোষকে রোডিয়েশনের হাত থেকে রক্ষা পায়।

অচেতন করা

রেডিয়েশন থেরাপি কী? রেডিও থেরাপি কখন,কেন,কিভাবে দেয়া হয়?

ইন্টারনাল রেডিও থেরাপির সময় রোগিকে অচেতন করা বা কোন নির্দিষ্ট অঙ্গকে অবশ করা হয় যাতে ইন্জেকশন অঙ্গের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ব্যথা এবং অস্বস্তি কম হয়।

রেডিয়েশন প্রয়োগ

রেডিয়েশন প্রয়োগ

প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গেলে রেডিয়েশন মেশিন থেকে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হয়।থেরাপি কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকে। ২টি থেরাপির মধ্যে ২ দিনের বিরতি দেয়াহয়। এই বিরতির সময় ক্যান্সার কোষের চারপাশে অবস্থিত সুস্থ টিস্যু ক্ষতি পুষিয়ে নেয়।

রেডিও থেরাপির পর রোগীর যত্ন

রেডিও থেরাপি কিছু স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এইসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে দ্রুত রিকোভারি পেতে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ।

ডায়েট চেক

দেহের সুস্থতা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রচুর পরিমাণে শক্তি প্রয়োজন হয়।তাই প্রতিদিনের আহারে উচ্চ ক্যালোরি এবং প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত।

লাইফ স্টাইল চেক

প্রতিদিন প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে ক্লান্তিভাব দূর করার জন্য। ভারিকাজ করা যাবে না। হালকা ব্যায়াম করতে হবে।

রেডিয়েশন প্রয়োগ করা স্থানের যত্ন

রেডিয়েশন দেয়া অঞ্চলটির চারপাশের ত্বক সংবেদনশীল হয় তাই এই স্থানে কিছুতেই ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, কসমেটিক লাগানো যাবেনা। সরাসরি সূর্যের আলোর সংস্পর্শ এরিয়ে চলা উচিৎ।

রেডিয়েশন থেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

থেরাপিতে ব্যবহৃত উচ্চমাত্রার রেডিয়েশন এর প্রভাবে ক্যান্সার কোষের আশেপাশে থাকা কিছু সুস্থ কোষও নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় । সচারাচর দৃষ্ট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো

  • ১। মাথা, ঘাড় ও বুকে রেডিওথেরাপি প্রয়োগে চুল পড়ে যায়।
  • ২।প্রচুর ক্লান্তি বোধ হয়।
  • ৩। রোগী অবসাদগ্রস্ত হয়ে পরে।
  • ৪। বমি বমি ভাব হতে পারে।
  • ৫। ক্ষুধা মন্দা বা খাবারে অরুচি দেখা দেয়।
  • ৬। পরিপাক ও জনন তন্ত্রের দিকে রেডিও থেরাপি প্রয়োগে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া,সাময়িক যৌনঅক্ষমতা দেখা যায়।
  • ৭। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমেযায়।
  • ৮। ত্বকের রঙ পরিবর্তন হতে পারে।

স্বল্পমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি কয়েকদিন অথবা কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এই ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলি থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কষ্টসাধ্য এবং প্রায়ই এগুলি দীর্ঘ দিন স্থায়ী হয়। এই ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলির মধ্যে রয়েছে-

লিম্ফিডিমা

লিম্ফ বা লসিকা গ্রন্থি ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা হয়।

লিম্ফিডিমা
লিম্ফিডিমা এবং থাইরয়েড অস্বাভাবিকতা
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিকতা

থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে এবং থাইরয়েড হরমোন ক্ষরণের মাত্রা হ্রাস-বৃদ্ধি হতে পারে।

মেনোপোজ

নারীদের হরমোনের মাত্রা পরিবর্তন হতে পারে এরফলে রজঃস্রাব বা মাসিকের অনিয়ম অথবা মেনোপজ হতে পারে।

রেডিয়েশন থেরাপির খরচ কত?

চিকিৎসার স্থান, রোগীর শারীরিক অবস্থা, থেরাপির ডোজের সংখ্যা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে খরচের পরিমাণ। সাধারণত বাংলাদেশে এক ডোজ রেডিও থেরাপি দিতে খরচ হয় ১০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত।

রেডিয়েশন থেরাপি কোথায় পাওয়া যায়?

বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্যান্সার হাসপাতালে এই থেরাপি দেয়র ব্যবস্থা আছে। যেমন- খাজা ইউনুস আলি মেডিকেল কলেজ হাসপাল।

Question and Answer

রেডিও আইসোটোপ কি?

যেসব আইসোটোপ রেডিয়েশন উৎপন্ন করার ক্ষমতা রাখে তাকে রেডিও আইসোটোপ বলে।

রেডিও থেরাপি কী?

রেডিয়েশন থেরাপি সংক্ষেপে রেডিও থেরাপি নামে পরিচিত।

IMRT কী?

IMRT এক ধরনের রেডিও থেরাপি…সম্পূর্ণ অর্থ Intensity-Modulated Radiation Therapy.

রেডিওথেরাপি দিলে চুল পরে কেন?

মাথা, ঘাড় ও বুকে রেডিওথেরাপি প্রয়োগে চুল পড়ে যায়।উচ্চমাত্রার রেডিয়েশন দ্রুত বর্ধনশীল চুলের গোড়াতে আক্রমণ করে ক্যান্সার কোষ ভেবে ফলে চুলের মৃত্যু ঘটে। আপনি আরো পরতে পারেন… কেমোথেরাপি দিলে চুল পরে কেন?

Radiation therapy in Bangla

Radioation therapy ki? Radio therapy ki? Radio therapy er prokarved, kivabe radio therapy deoa hoy? radiation therapy definition in Bangla,Side-Effects of Radiation Therapy in Bangla,Types of radiation therapy in Bangla

Please click on Just one Add to Help Us

মহাশয়, জ্ঞান বিতরণের মত মহৎ কাজে অংশ নিন।ওয়েবসাইট টি পরিচালনার খরচ হিসেবে আপনি কিছু অনুদান দিতে পারেন, স্পন্সর করতে পারেন, এড দিতে পারেন, নিজে না পারলে চ্যারিটি ফান্ডের বা দাতাদের জানাতে পারেন। অনুদান পাঠাতে পারেন এই নম্বরে ০১৭২৩১৬৫৪০৪ বিকাশ,নগদ,রকেট।

এই ওয়েবসাইট আমার নিজের খরচায় চালাই। এড থেকে ডোমেইন খরচই উঠেনা। আমি একা প্রচুর সময় দেই। শিক্ষক হিসেবে আমার জ্ঞান দানের ইচ্ছা থেকেই এই প্রচেষ্টা। আপনি লিখতে পারেন এই ব্লগে। এগিয়ে নিন বাংলায় ভালো কিছু শেখার প্রচেষ্টা।