হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি?

হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি?

একটি ফেসবুক পোস্ট ভালো করে লক্ষ্য করুন।”সৌদিআরবের ৭০ জন আলেম ফোনে হ্যালো বলা হারাম করে দিয়েছেন। কারণ হেল অর্থ জাহান্নাম আর হ্যালো অর্থ জাহান্নামী।যদিও ইংরেজরা নিজে ফোন করে হাই এবং পিক করে ইয়েস বলে।

তাই সব সময় ফোনে বলুন আসসালামুআলাইকুম। অনুগ্রহ করে সকল মুসলিমকে শেয়ার করুন। হতে পারে আপনার শেয়ার করার কারনে সে হয়ত হ্যালো বলার পরিবর্তে আসসালামুআলাইকুম বলবে। নেকির দাওয়াত দেওয়ায়, নেকি কারীর সমান সওয়াব হয়।”

হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি?
হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি?

বর্তমানে কিছু অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী টাইপ ছাগল হুজুর আবোল তাবোল কথা বলে আর মানুষের মনে ভ্রান্তি ছরায়।নেকির দাওয়াত নিঃসন্দেহে ভালো কাজ কিন্তু এই ভালো কাজ করতে গিয়ে অন্য একটি মিথ্যার প্রচলন করাও তো পাপ কাজ।

hello মানে জাহান্নামি কোন ডিকশনারি তে আছে হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি? তাহলে আসুন জানাযাক আসল তথ্য।

আপনি আরও পড়তে পারেন…. মহাশূন্যে নামাজের সময়,কিবলা কিভাবে নির্ণয় করবেন?

Hello শব্দের ব্যাবহার

Hello শব্দ প্রথম ব্যাবহার করা হয় “Sketches and Eccentricities of Col. David Crockett, of West Tennessee, নামক বইতে 1833 সালে।

Hello শব্দের উৎপত্তি

According to the Oxford English Dictionary, hello is an alteration (পরিবর্তে ব্যাবহৃত)of hallo, hollo,[3] which came from Old High German “halâ, holâ, emphatic imper[ative] of halôn, holôn to fetch, used esp[ecially] in hailing a ferryman.নৌকার মাঝিকে উচ্চস্বরে ডাকার জন্য hello ব্যাবহৃত হতো)।অন্যমতে, Hello শব্দ টি ফরাসি hola শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ এখন থাম,(ঘোরাকে থামানোর জন্য বলা হতো hola)

হ্যালো এর বাংলা অর্থ কি?

হ্যালো এর বাংলা অর্থ ওহে,শুনুন,হ্যালো,আরে

টেলিফোনে Hello শব্দের প্রচলন

টেলিফোনে hello শব্দটির ব্যাবহার শুরু হয় 1877 সালে। বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন টেলিফোনে ভুলক্রমে hullo শব্দ শোনেন এবং পরে তা hello তে পরিণত হয়। তাই টেলিফোনে হ্যালো শব্দের জনক হিসেবে এডিসনকেই ধরা হয়।

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন
টমাস আলভা এডিসন

গ্রাহাম বেলের হ্যালো ও লোকগাথা

টেলিফোনে হ্যালো শব্দের উৎপত্তি সম্পর্কে গ্রাহাম বেলের সাথে যে গল্প বা লোকগাথা জনতার মুখেমুখে প্রচলিত তা হলো-
টেলিফোনের আবিষ্কারক গ্রাহাম বেল এর বান্ধবী ছিল Margaret Hello। গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করে আবেগের বশবর্তী হয়ে প্রথম যে কথাটি উচ্চারন করেন, তা হলো ‘হ্যালো’।গ্রাহাম বেল ফোনের একপ্রান্তে আর অপর প্রান্তে তার স্ত্রী মারগারেট হ্যালো।অর্থাৎ গ্রাহাম বেল তাহার স্ত্রীর নাম ধরে ডাকলেন। যার নাম থেকে টেলিফোনে হ্যালো বলার প্রচলন হয়েছে।

গ্রাহাম বেলের টেলিফোন
বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন
আসল তথ্য

৭ ই মার্চ ১৮৭৬ সালে আমেরিকার পেটেন্ট অফিস গ্রাহাম বেলকে টেলিফোনের আবিস্কারক হিসেবে প্রকাশ করে। তার তিনদিন পর ১০ ই মার্চ গ্রাহাম বেল তার সহযােগী ওয়াটসনকে কল দেন এবং বলেন, ” Mr.Watson, come here, I want to see you.” এই সময় মি. ওয়াটসন তার পাশের রুমেই ছিলেন
আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল এরপর ১৮৭৭ সালে মাবেল হুবার্ড নামের এক ভদ্র মহিলাকে বিয়ে করেন। টেলিফোনের আবিষ্কারক গ্রাহাম বেল টেলিফোনে সম্ভাষণের জন্য ahoy শব্দ ব্যবহার করতেন।

টেলিফোনে হ্যালো বলা যাবে কি?

একজন মুসলিম হিসেবে আমরা জানি সালাম দিলে নেকি পাওয়া যায় তাই টেলিফোনে কল রিসিভ করার পর হ্যালোর পাশাপাশি সালাম দিলে সালামের প্রচলন হয় এবং সাওয়াব পাওয়া যায়। তাই বলে হ্যালো বললে পাপ হবেনা।
কুতায়বা (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যাক্তি রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞাসা করল, ‘ইসলামের কোন্ কাজ সবচাইতে উত্তম?’ তিনি বললেনঃ তুমি লোকদের আহার করাবে এবং পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সকলকে সালাম করবে। -বুখারী ২৭ (ইফাঃ)
হযরত আবু দারদা (রাযীঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করিয়াছেন, তোমরা সালামের খুব প্রচলন ঘটাও। তাহা হইলে তোমরা উন্নত হইয়া যাইবে। -তাবারানী, মাজমায়ে যাওয়ায়েদ
উপরের দুটি হাদিস থেকে বুঝাযায় যে সালামের প্রচলন করা নেকির কাজ তাই ফোন রিসিভ করে হ্যালো না বলে সালাম দেয়াই উত্তম।
আসুন আমরা সচেতন হই না জেনে, না বুঝে,অজ্ঞতার অন্ধকারে থেকে মুসলমানদের অন্য ধর্মের লোকের কাছে হাসির পাত্র না বানাই।একজন ধার্মিক মুসলমান হিসেবে সঠিক ইসলামী দাওয়াত প্রচার করি।
ফি আমানিল্লাহ্

হ্যালো অর্থ কি জাহান্নামি?

না, হ্যালো শব্দের অর্থ জাহান্নামি নয়। Hello অর্থ ওহে,শুনুন,হ্যালো,আরে

Hello ortho ki jahammami?
Hello mane ki jahammami? hello bola ki haram? hello meaning in bengali.

Tag:হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি? হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি? হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি? হ্যালো শব্দের অর্থ কি জাহান্নামি?

Please Click on Just one Add to help us

মহাশয়, জ্ঞান বিতরণের মত মহৎ কাজে অংশ নিন।ওয়েবসাইট টি পরিচালনার খরচ হিসেবে আপনি কিছু অনুদান দিতে পারেন, স্পন্সর করতে পারেন, এড দিতে পারেন, নিজে না পারলে চ্যারিটি ফান্ডের বা দাতাদের জানাতে পারেন। অনুদান পাঠাতে পারেন এই নম্বরে ০১৭২৩১৬৫৪০৪ বিকাশ,নগদ,রকেট।এই ওয়েবসাইট আমার নিজের খরচায় চালাই। এড থেকে ডোমেইন খরচই উঠেনা। আমি একা প্রচুর সময় দেই। শিক্ষক হিসেবে আমার জ্ঞান দানের ইচ্ছা থেকেই এই প্রচেষ্টা। আপনি লিখতে পারেন এই ব্লগে। এগিয়ে নিন বাংলায় ভালো কিছু শেখার প্রচেষ্টা।