১ মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!

১ মিনিটে হেঁচকি/হিক্কা বন্ধ করুন!

 

মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!

অনেক সময় হেঁচকি উঠলে আর বন্ধ হতে চায় না ফলে কষ্টকর অবস্থায় পরতে হয়। আনন্দের মুহূর্তে হেঁচকি উঠে আপনার আনন্দ মাটি হয়ে যায়। এই ধরনের কষ্টকর অনুভূতি থেকে মুক্তি পেতে এই কৌশল কাজে লাগান। এটি পরীক্ষিত কৌশল আপনি নিশ্চিন্তে কাজে লাগাতে পারেন।

হেঁচকি কি?(Hiccup/hechki/hikka)১ মিনিটে হেঁচকি/হিক্কা বন্ধ করুন!

 
আমাদের বুক ও পেটের অঙ্গ গুলো(পাকস্থলী, ফুসফুস, হার্ট, নাড়ীভুঁড়ি ইত্যাদি)  একটা টিউব এর মত জায়গার মধ্যে আছে। এই টিউব কে দুইভাগে ভাগ করা হয়, ১)বক্ষ গহ্বর ২)উদর গহ্বর। বক্ষ গহ্বরে থাকে পাকস্থলী, ফুসফুস, হার্ট, কলিজা।উদর গহ্বরে থাকে নাড়ীভুঁড়ি। একটা ধনুকের আকৃতিসদৃশ মাংসপেশি উদর গহ্বর কে বক্ষ গহ্বর থেকে পৃথক করে।এই পেশি কে “ডায়াফ্রাম” বাংলায় “মধ্যচ্ছদা ” বলে। এই ডায়াফ্রাম এর স্বাভাবিক সংকোচন ও প্রসারণে আমাদের নিশ্বাস-প্রশ্বাস সংঘটিত হয়। ডায়াফ্রাম কে নিয়ন্ত্রণ করে ভেগাস নামক স্নায়ু (অনুভূতি পরিবহণকারী অঙ্গ) । কোন কারণে যদি ভেগাস স্নায়ুর ডায়াফ্রাম নিয়ন্ত্রণকারী অংশ উত্তেজিত হয় তবে ডায়াফ্রাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে সংকোচিত ও প্রসারিত হয় ফলে নিঃশ্বাস বের হওয়ার সময় বাতাস বেশী গতিতে শ্বাসনালীর ছিদ্রপথে ধাক্কা দেয়।এ কারণে হিক্ … হিক্ …হিক্ … শব্দে নিঃশ্বাস বের হয়।একে আমরা হেঁচকি বা হিক্কা (ইংরেজি Hiccups) বলে থাকি।(Hiccup/hechki/hikka)১ মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!

এক মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!

সাধারণ কারণে হেঁচকি হলে তা একটু পর এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে শারীরিক সমস্যা ও রোগে অনেক সময় বিরক্তিকরভাবে বারবার বা অবিরত হেঁচকি হতে পারে।১ মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!
১। একটি পরিষ্কার পলিথিন ব্যাগ নিন। ব্যাগের খোলা অংশ দিয়ে মাথা ঢুকিয়ে দিন। এবার খোলা অংশ দুই হাত দিয়ে গলার সাথে চেপে ধরুন যাতে বাতাস ঢুকতে বা বের হতে না পারে। এখন এই পলিথিন ব্যাগের মধ্যে জোরেশোরে শ্বাস নিন এবং ছারুন। যখন দম বন্ধ হয়ে আসবে তখন পলিথিন ব্যাগটি মাথা থেকে খুলে ফেলুন। এখন দেখুন আপনার হেঁচকি উধাও।  একবার না হলে দুইবার করে দেখতে পারেন প্রক্রিয়াটি।সাধারণত একবার চেষ্টা করলেই ৯৯% ক্ষেত্রে কাজ হয়।

১ মিনিটে হেঁচকি/হিক্কা বন্ধ করুন!

👀এটি রক্তে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে দিবে। ফলে মস্তিষ্ক হেঁচকি না তুলে অতিরিক্ত কার্বনডাইঅক্সাইড বেড় করতে ব্যাস্ত হবে এবং হেঁচকি বন্ধ হবে।এই পদ্ধতির দ্বারা-১ মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!
সতর্কতাঃ
১। ৩ বছরের নীচের শিশুদের ক্ষেত্রে এই কৌশল ব্যবহার করবেন না।
২। মারাত্মক শ্বাস কষ্ট আছে এমন রোগির ক্ষেত্রে এই কৌশল ব্যবহার করবেন না।
৩। জোরপূর্বক পলিথিন ব্যাগের মধ্যে বেশিক্ষণ শ্বাস নেবেন না বা কাউকে পলিথিন ব্যাগের মধ্যে আটকে রাখবেন না এতে মৃত্যুর ঝুঁকি আছে।
২।এক চামচ চিনি নিন ও জিহ্বার পিছনে [যেখান দিয়ে টক স্বাদ নেন] রাখুন। এটি ভেগাস  স্নায়ুর  উত্তেজনা বাড়াবে । লেবুতে কামড় দেয়া বা একটু ভিনেগারের স্বাদ নেয়াকিছু ডাক্তার বলেন যে হেচকি উঠলে কানে আঙ্গুল দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এটি ভেগাস স্নায়ু কে উদ্দীপ্ত করবে।;কিন্তু সাবধান কানের বেশি গভীরে আঙ্গুল ঢোকাবেন না ।হেঁচকি কেন ওঠে? হলে কী করবেন,হেচকির কারণ ও প্রতিকার,হেঁচকি কি? কেন হয়? 
৩। হঠাৎ করে অবাক হলে হেচকি চলে যায়।তাই পিঠে আচমকা আস্তে করে কিল বা থাবা দেয়া যায়। 

৪। পানি খেলে হেচকিচক্র বাধাগ্রস্থ হয়। পানি দিয়া গড়গড়া ও করতে পারেন 

৫। জিহ্বা বের করে রাখুন এটি হেচকি রোধে সাহায্য করবে ।

৬। কটন বার দিয়ে মুখের তলায় কাতুকুতু দিতে পারেন। যেকোন ধরনের সুড়সুড়ি হেচকি রোধে কাজ করে 

৭। নাক ধরে মুখ বন্ধ করুন[পুলে ঝাপিয়া পড়ার আগে যেভাবে করেন] যতক্ষণ না হেচকি চলে না যায় ।এই পদ্ধতির দ্বারা-১ মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!

আপনি আরও পড়তে পারেন-

  • জীবিত মানুষ পানিতে ডুবে যায় কিন্তু মৃতদেহ পানিতে ভাসে কেন?

বিঃদ্রঃ (বিভিন্ন ইংরেজি জার্নাল অনুবাদ করে লেখা।ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। আমি ডাক্তার নই)হেঁচকি কেন ওঠে? হলে কী করবেন,হেচকির কারণ ও প্রতিকার,হেঁচকি কি? কেন হয়? 

মোঃ শান্ত সরকার

Tage:হেঁচকি বা হিক্কা কেন উঠে  এটা থামাবেন কীভাবে?হেঁচকি কেন ওঠে? হলে কী করবেন,হেচকির কারণ ও প্রতিকার,হেঁচকি কি? কেন হয়? থামানোর উপায়,হেঁচকি ,হিক্কা,

১ মিনিটে হেঁচকি বন্ধ করুন!

জীবিত মানুষ পানিতে ডুবে যায় কিন্তু মৃতদেহ পানিতে ভাসে কেন? ঘাম কি? মানুষ ঘামে কেন?ঘাম নিয়ে ১৫টি মজার তথ্য

86 / 100

Leave a Comment