- হঠাৎ কুকুর ধাওয়া বা তাড়া করলে কি করবেন?
- কুকুরের আক্রমণে বিশ্বব্যাপী ক্ষয়ক্ষতি ও পরিসংখ্যান
- কুকুর আক্রমণ করে কেন?
- কিভাবে বুঝবেন কুকুর আক্রমণ করবে?
- ১। ভীত হবেন না
- ২। ভয়ে দৌড় দেয়া থেকে বিরত থাকুন
- ৩। খালি হাতে কুকুরের সামনে রুখে দাড়াবেন না
- ৪। বারবার পিছনে তাকাবেন না
- ৫। সরাসরি কুকুরের চোখে তাকাবেন না
- ৬।কুকুরের মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন
- ৭। কোমল শব্দ করুন
- ৮। হুকুমের সুরে নির্দেশ দিন
- ৯। ভয়ে শুয়ে বা বসে পরবেন না
- ১০। অস্ত্র দিয়ে প্রতিহত করুন
- প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
- উপসংহার
কুকুরের আক্রমণ থেকে বাঁচার উপায় জানা আমাদের প্রত্যেকের জন্যই অত্যন্ত জরুরি। সঠিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মাথা ঠান্ডা রেখে কিছু মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মরক্ষামূলক কৌশল প্রয়োগ করতে পারলে আপনি নিরাপদে যেকোনো কুকুরের আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবেন।
হঠাৎ কুকুর ধাওয়া বা তাড়া করলে কি করবেন?
কুকুরের আক্রমণ থেকে বাঁচার উপায় …. প্রায়শই শহরের সরু গলিতে আমাদের যেতে হয়।সরু গলিতে কুকুরের দল আমাদের উপস্থিতি পছন্দ করে না। কুকুরের দল আমাদের আগন্তুক ভেবে একসাথে ধাওয়া বা তাড়া করে।
আবার গ্রামের ঝোপঝাড়ে ঘেরা মেঠো রাস্তায় গিয়ে নেড়ি কুকুরের ধাওয়া বা তাড়া খায়নি এমন লোক খুজে পাওয়া দুষ্কর।একদল খ্যাপা কুকুর যখন কাউকে আক্রমণ করে তখন কুকুরের রাগান্বিত ঘরগর শব্দে তার পিলে চমকে যায়। বুকের ধুকপুকানি কয়েকশ গুণ বেড়ে যায়।
মনে মনে ইষ্টনাম জপ করতে শুরু করে।ভাবতে থাকে আজকেই পৈত্রিক প্রাণটা বুঝি খোয়া গেল! এধরণের সংকটময় মুহূর্তে সামান্য ভুল করে বসলে কুকুরের আক্রমণ এ সত্যই আপনার প্রাণ চলে যাওয়ার আশংকা আছে।
কারণ আপনি যতই শক্তিশালী হোন না কেন, কুকুরের শ্বাদন্তের কাছে আপনার পেশিশক্তি কোন কাজেই আসবে না।শক্তি দেখাতে গেলে কুকুরের আক্রমণ এ বেঘোরে প্রাণ হারাবেন।
তবে মাথা ঠান্ডা রেখে কিছু কৌশল প্রয়োগ করতে পারলে কুকুরের আক্রমণ এর সংকটময় মুহূর্ত খুব সহজে সামাল দিতে পারবেন। তাহলে আসুন ঝটপট জেনে নেই জীবন রক্ষাকারী কৌশল কুকুরের আক্রমণ থেকে বাঁচার উপায়।

আপনি আরো পড়তে পারেন – কুকুর মিলনের সময় আটকে যায় কেন ?
কুকুরের আক্রমণে বিশ্বব্যাপী ক্ষয়ক্ষতি ও পরিসংখ্যান
প্রতিবছর বিশ্বে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে লক্ষ লক্ষ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হন। বৈশ্বিক পরিসংখ্যান ও গবেষণার তথ্যগুলো নিচে ছক আকারে তুলে ধরা হলো:
| সূচক / বিষয় | পরিসংখ্যান ও প্রভাব |
|---|---|
| বার্ষিক কামড়ের আনুমানিক সংখ্যা | বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪৭ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর আক্রান্ত হন |
| মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গড় মৃত্যু | প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২০ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করেন |
| জলাতঙ্ক (Rabies) সংক্রমণের উৎস | মানবদেহে সংক্রামিত জলাতঙ্কের প্রায় ৯৯% ক্ষেত্রই ঘটে কুকুরের কামড়ের মাধ্যমে |
| ঝুঁকিপূর্ণ বয়সের শ্রেণী | কুকুরের ধাওয়া ও আক্রমণের শিকার হিসেবে শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ |
কুকুর আক্রমণ করে কেন?
কুকুর তাড়া করে কেন?
কুকুর প্রধাণত ৫টি কারণে মানুষকে আক্রমণ করে। কারণ গুলো হলো-
- ১। কোন মানুষ কুকুরকে খালি হাতে আক্রমণ করলে কুকুর মানুষকে পাল্টা আক্রমণ করবে।
- ২।প্রজননের সময় বাধা দিলে।
- ৩। কুকুরের বাচ্চাকে আক্রমণ করলে মা কুকুর মানুষকে আক্রমণ করবে এটা নিশ্চিত।
- ৫। ক্ষুধার্ত কুকুরের খাওয়ার সময় খাবার কেরে নিলে বা বিরক্ত করলে এরা অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে খাবার রক্ষার জন্য আক্রমণ করে।
এছারাও পাগলা কুকুর এমনিতেই মানুষকে আক্রমণ করে।আবার মানুষের উপস্থিতি এদের ভালো না লাগলেও ধাওয়া বা তাড়া করতে পারে। মালিকের সম্পদ রক্ষার জন্য চোর বা সম্পদ হরণকারী কে ধাওয়া বা তাড়া করে।
কিভাবে বুঝবেন কুকুর আক্রমণ করবে?
কিভাবে বুঝবেন কুকুর তাড়া করবে?
কুকুর কাউকে আক্রমণ করার আগে কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। এই বৈশিষ্ট্য গুলো ভালোকরে লক্ষ্য করলেই বুঝবেন কুকুর এখনই আপনাকে আক্রমণ করার জন্য ঝাঁপিয়ে পরবে। কুকুর আক্রমণ করার আগে যে বৈশিষ্ট্য গুলো প্রকাশ করে সেগুলো হলো-
- ১। দাঁত বের করে তিব্র স্বরে গরগর শব্দ করবে।
- ২। লেজ শক্ত করে পিঠের দিকে বাঁকিয়ে নেবে, ঠিক প্রশ্নবোধক চিহ্নের মত।লেজ নাড়ানো একদম বন্ধ করে দেবে। এই বৈশিষ্ট্য দেখলে কোন চিন্তা ছাড়াই মাথা ঠান্ডা রেখে আক্রমণ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিন।
- ৩।কুকুর রেগে গিয়ে পা দিয়ে মাটি আঁচড়াবে।
- ৪। মুখ হা করে মাথা উপরনিচ করবে এবং কামড়ানোর ভঙ্গি করবে।
- ৫। আক্রমণের শেষ লক্ষণ হলো কুকুর আপনার দিকে ছুটে আসবে কামড় দেয়ায় জন্য।
কুকুরের হামলা থেকে বাঁচার উপায়
খ্যাপা কুকুরের দল আপনাকে আক্রমণ করলে তার থেকে বাঁচার জন্য নিচের কৌশল গুলো ঠান্ডা মাথায় প্রয়োগ করুন।
হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে কি করবেন?
১। ভীত হবেন না
৮০ভাগ ক্ষেত্রে কুকুর মানুষকে শুধু ভয় দেখায় আক্রমণ করে না।কুকুর হলো নেকড়ে গোত্রের প্রাণী। আদিম কুকুর বনে থাকতো এবং দলবেধে শিকার করতো।ভীত শিকারকে উৎসাহের সাথে কুকুরের আক্রমণ করতো।
কুকুরের শিকারি স্বভাব এখনো প্রচ্ছন্ন অবস্থায় তাদের মস্তিষ্কে সুপ্ত আছে। কুকুর ক্ষেপে গেলে এই প্রচ্ছন্ন স্বভাব প্রকট আকার ধারণ করে এবং আদিম বুনো স্বভাব প্রকাশ করে। এরা খুব সহজে বুঝতে পারে তাদের দেখে কে ভয় পাচ্ছে।
যদি একবার বুঝতে পারে যে কেউ তাদের দেখে ভয় পাচ্ছে তবে এরা ঐ প্রাণিকে আক্রমণের জন্য নিরাপদ মনে করে এবং সর্বশক্তি দিয়ে ভীত প্রণির উপর ঝাঁপিয়ে পরে। তাই কুকুর আক্রমণ করলে স্বাভাবিক থাকুন। ভয়ে জড়সড় হয়ে যাবেন না।
কোন ভাবেই কুকুরকে বুঝতে দেবেন না যে আপনি খুব ভয় পেয়েছেন। ভীত হয়ে জোড়ে চিৎকার দেয়ার চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকুন।

২। ভয়ে দৌড় দেয়া থেকে বিরত থাকুন
কুকুর আক্রমণ করবে বুঝতে পেরে ও বাবা গো! ও মা গো! বলে চিৎকার করে ছুটে পালানো থেকে বিরত থাকুন।আপনার দৌড়ানোর গতি ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার আর কুকুরের গতি প্রায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার।
দৌড়ে আপনি কুকুরকে হারাতে পারবেন না।পলায়নরত প্রণিকে দৌড়ে পালাতে দেখলে কুকুরের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এরা নিজেদের শক্তিশালী ভাবে আর পলায়নরত প্রাণিকে দুর্বল ও সহজ শিকার মনে করে বিপুল বিক্রমে ঝাঁপিয়ে পরে।
তাই কুকুর আক্রমণ করবে বুঝতে পারলে ভয়ে দৌড় না দিয়ে থেমে যান অথবা হাটার গতি কমিয়ে দিয়ে আস্তে আস্তে হাটুন।নিজের মত স্বাভাবিক গতিতে হেটে কুকুরকে অতিক্রম করুন। এতে কুকুর ভাববে আপনি বেশি শক্তিশালী।
আস্তে আস্তে হেটে গেলে কুকুর ভাববে আপনি এদের জন্য নিরাপদ আপনার দ্বারা এদের কোন ক্ষতি হবে না। কুকুর আশ্বস্ত হলে আর আক্রমণ করবে না রাগান্বিত স্বভাব ত্যাগ করে স্বাভাবিক আচরণ শুরু করবে। কুইকুই শব্দ করে লেজ ডানে বামে নড়াতে থাকবে।

৩। খালি হাতে কুকুরের সামনে রুখে দাড়াবেন না
খালি হাতে কুকুরের আক্রমণ মোকাবেলা করার জন্য কুকুরের সামনে রুখে দাড়াবেন না।কুকুরের ধারালো দাঁতের সামনে আপনার শক্তি কোন কাজে আসবে না।
নিরস্ত্র অবস্হায় কুকুরের সামনে রুখে দাড়ালে কুকুর আপনাকে তাদের নিরাপত্তার জন্যে হুমকি মনে করবে।আপনাকে আক্রমণকারী প্রতিপক্ষ হিসেবে মনে করে নিজেদের রক্ষার জন্য সর্বশক্তি দিয়ে বিপুল বিক্রমে ঝাঁপিয়ে পরবে।
আপনার ঘাড়ের জুগুলার ভেইন কামড়ে ছিড়ে দিতে পারে এতে কুকুরের আক্রমণ এ আপনার নিশ্চিত মৃত্যু ঘটবে।
৪। বারবার পিছনে তাকাবেন না
আপনার উপস্থিতিতে উচ্চস্বরে চিৎকাররত কুকুরকে পাশ কাটানোর সময় বারবার পেছনে তাকাবেন না।এতে কুকুর ভাববে যে আপনি এদের আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
কুকুরের এটা মনে হলে আর রক্ষে নেই,দলনেতার নির্দেশে একসাথে আক্রমণ করবে।খুব ভয় হলে কুকুরকে সামনে রেখে পেছন দিকে ব্যাক করুন।
৫। সরাসরি কুকুরের চোখে তাকাবেন না
আক্রমণের জন্য উদ্যত কুকুরের চোখে তাকাবেন না।এতে আক্রমণকারী কুকুর আপনাকে বিপদজনক প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে হিংস্র হয়ে উঠবে এবং নেকড়ের মত হামলা করবে।
৬।কুকুরের মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন
যদি আপনার কাছে কুকুরকে আকৃষ্ট করে এমন জিনিস (যেমন-খালি বোতল,সব্জি,অপ্রয়োজনীয় বস্তু)বা কুকুরের খাবার উপযোগী খাদ্য থাকে তাহলে তা ধীরেসুস্থে কুকুরের সামনে ফেলুন।
কিছুই না থাকলে পায়ের স্যান্ডেল বা জুতা,গায়ের গেঞ্জি খুলে গোল বলের মত করে ফেলে দিন। এতে কুকুরের মনোযোগ জিনিসটির দিকে নিবন্ধ হবে আপনার কথা ভুলে যাবে।
তবে ভুল করেও ছোট কোন পাথর বা ঢিল ছুঁড়ে মারবেন না এতে কুকুর বেশি খেপে যেতে পারে।

৭। কোমল শব্দ করুন
খ্যাপা কুকুরকে শান্ত করার জন্য মুখ দিয়ে চুক…চুক….চুক….চুক শব্দ করুন।এতে কুকুর শান্ত হবে ডানে বামে লেজ নাড়িয়ে আনন্দ প্রকাশ করবে।
৮। হুকুমের সুরে নির্দেশ দিন
আক্রমণকারী কুকুরকে নিজের পোষা কুকুর মনে করে হুকুমের সুরে থেমে যাওয়ার নির্দেশ দিন।ডানে বা বামে যেতে বলুন। এতে কুকুর শান্ত হয়ে আপনাকে মালিক মনে করে নির্দেশ মানতে ব্যাস্ত হয়ে পরবে।
৯। ভয়ে শুয়ে বা বসে পরবেন না
কুকুরকে দেখে ভয়ে শুয়ে বা বসে পরবেন না। এতে কুকুর আপনাকে আহত শিকার মনে করে আনন্দের সাথে আক্রমণ করবে এবং কামড়াতে শুরু করবে।

১০। অস্ত্র দিয়ে প্রতিহত করুন
কিছুতেই পরিত্রাণ না পেলে, হাতের কাছে থাকা লাঠি মাথার উপরে তুলে ধমক দিন এতে কুকুর লাঠি সহ আপনাকে পরিমাপ করে বড় শিকারি প্রাণী মনে করবে এবং নিজেই ভীত হয়ে দৌড়ে পালাবে।
লাঠি না থাকলে বড় সাইজের অন্তত ৫টি ইটের বা শক্ত মাটির টুকরো কুকুরের কান ও ঘাড় লক্ষ্যকরে সর্বশক্তি দিয়ে ছুঁড়ে মারুন।প্রচণ্ড ব্যথায় কুকুর ছুটে পালাবে।ভুলেও একটি পাথর, ইটের টুকরা,মাটির ঢিল দিয়ে আক্রমণ করতে যাবেন কারণ প্রথমটা লাগাতে না পারলে আরেকটি কোথায় পাবেন?
তখন কুকুর বেশি ক্ষেপে গিয়ে কামড় দিতে পারে।ছোট লাঠি দিয়ে আঘাত করলে কুকুর আপনার হাতে কামড় দিতে পারে।হাতের কাছে কিছুই না পেলে, গায়ের শার্ট বা গেঞ্জি খুলে দড়ির মত প্যাঁচিয়ে বনবন করে ঘুরাতে থাকুন এতে কুকুর ভীত হয়ে পলায়ন করবে।
প্রায় ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে কুকুর শুধু ভয় দেখায় কামড় দেয় না। তাই আপনি ভীত না হলে ৮০ভাগ কুকুরের আক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।কুকুর একটি প্রভুভক্ত প্রাণী এরা সহজে পোষ মানে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে সবচেয়ে প্রথম করণীয় কী?
হঠাৎ কুকুর তাড়া করলে সবচেয়ে আগে নিজেকে শান্ত রাখতে হবে এবং ভয়ে চিৎকার না করে বা না দৌড়ে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকা উচিত। দৌড় দিলে কুকুর মানুষকে সহজ শিকার ভেবে আরও দ্রুত তাড়া করে।
কুকুর কেন মানুষকে আক্রমণ করে?
কুকুর মূলত আত্মরক্ষা, নিজের বা বাচ্চার সুরক্ষা, খাবারের সময় বিরক্ত অনুভব করা, প্রজননকালীন বাধা পাওয়া, মালিকের সীমানা রক্ষা বা জলাতঙ্ক রোগের কারণে মানুষকে আক্রমণ করে।
কুকুর আক্রমণ করার আগে কী কী লক্ষণ প্রকাশ করে?
আক্রমণ করার আগে কুকুর সাধারণত দাঁত বের করে গরগর শব্দ করে, লেজ শক্ত করে পিঠের দিকে বাঁকিয়ে নেয়, মাটি আঁচড়ায় এবং মুখ হা করে কামড়ানোর ভঙ্গি প্রকাশ করে।
কুকুর ধাওয়া করলে কি ইটের টুকরো বা পাথর মারা উচিত?
ছোট একটি পাথর বা হালকা ঢিল ছুড়লে কুকুর আরও খেপে যেতে পারে। তবে আত্মরক্ষার্থে অন্তত ৫-৬টি বড় মাটির ঢিল বা ইটের টুকরো কান ও ঘাড় লক্ষ্য করে ছুড়লে অথবা হাতের কাছে থাকা বড় লাঠি মাথার ওপর তুলে ধমক দিলে কুকুর ভয় পেয়ে সরে যায়।
উপসংহার
কুকুর মূলত মানুষের বন্ধু ও অত্যন্ত প্রভুভক্ত প্রাণী। অধিকাংশ পথকুকুরই অহেতুক মানুষকে কামড়ায় না। তবে বিরূপ পরিস্থিতিতে কুকুরের আক্রমণ থেকে বাঁচার উপায়গুলো জানা থাকলে আমরা যেকোনো বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি ও অাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা থেকে নিজেদের ও চারপাশের মানুষকে রক্ষা করতে পারব। সচেতনতা ও ঠান্ডা মাথার বুদ্ধিমত্তাই হলো এ ধরনের বিপদে বেঁচে ফেরার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
Disclaimer: এই আর্টিকেলে বর্ণিত পরামর্শগুলো সাধারণ জনসচেতনতা ও সাধারণ আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সংগৃহীত। কুকুর যদি মারাত্মকভাবে কামড়ে দেয় বা ক্ষত সৃষ্টি করে, তবে কালবিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক প্রতিষেধক (Rabies Vaccine) এবং টিটেনাস ইনজেকশন গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
#DogAttackSafety #DogSafetyTips #AnimalBehavior #SelfDefenseSafety #DogBitePrevention #SafetyAwareness #RabiesPrevention
kukurer akkromon theke bachar upay
hotath kukur attack korle ki korben? dog attack korle ki korben? kukur tara korle ki korben?kukurer tara khele ki korben?kukur hamla korle ki korben? কুকুরের আক্রমণ কুকুরের আক্রমণ
All photo credit Goes to sutterstock.com
