ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার|২০ খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে#

ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার|২০ খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে#

বেঁচে থাকার জন্য আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন ধরণের খাবার খাই। সব খাবারই আমাদের প্রিয় নয় কিছু খাবার আমরা জোড়করে খাই। কিন্তু আপনি যদি জানতে পারেন যে জোড়করে খাওয়া খাবারের কারণে জটিল ব্যাধি হতে মুক্তি পেয়েছেন তখন কিন্তু আর জোড়করে খাওয়াতে হবে না ইচ্ছা করেই খাবেন। আজ এমন ২০ টি খাবারের কথা বলবো যে খাবারগুলো খেলে যেনতেন জটিল রোগ নয় জটিল রোগের বাবা খোদ ক্যান্সার একশো হাত দূরে থাকবে।

তাহলে আর দেরি কেন আসুন শুরুকরি ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার সম্পর্কে আলোচনা। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এমন ২০ টি খাবারের বর্ণনা করা যাক……

ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার|২০ খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে#
২০ খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে#

আপনি আরো পড়তে পারন … ক্যান্সার রোগীর খাদ্য তালিকা …. ক্যান্সার রোগীর নিষিদ্ধ খাবার ….. ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল

যে খাবার খেলে কান্সার হয় না

কান্সার দূরে রাখে যে খাবার

ফুলকপি ও বাঁধাকপি,ব্রকলি,রসুন, বাদাম, গাজর,টমেটো,আদা (Ginger),হলুদ,গ্রিন টি,তরমুজ,পেঁয়াজ,মিষ্টি আলু,করোসল বা সাওয়ারসপ,অনেক পাতাযুক্ত সবুজ শাক,বেরি জাতীয় ফল,তৈলাক্ত মাছ,কাঁচামরিচ,আপেল ও ডালিম,রঙিন সব্জি,সজনা ও বরবটি

কান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে যে ২০ খাবার

ফুলকপি ও বাঁধাকপি

ফুলকপিতে আছে isothiocyanates (ITCs) এটি glucosinolates জাতীয় উপাদান যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। বাঁধাকপিতে আছে antioxidant anthocyanin প্রায় সব রঙের বাঁধাকপিতে একই উপাদান থাকে। এই anthocyanin নতুন ক্যান্সার কোষ উৎপাদনে বাধা দেয় এবং পুনাতন কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে।এমনকি বাঁধাকপি যেকোন ধরণের টিউমারের বিরুদ্ধে বেশ কার্যকর প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে।
ব্রেইন,মূত্রনালি,কিডনি,কোলন,প্রস্টেট ইত্যাদি ক্যান্সার নিরাময়ের জন্যে ফুলকপি ও বাঁধাকপি খাওয়া উচিত। যারা এই কপি বেশি খায় তাদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

ব্রকলি

ব্রকলি সব্জি
ব্রকলি সব্জি

ব্রকোলির একটি রাসায়নিক উপাদান সালফোরাফেন এটি ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও বিকাশে বাঁধা দেয় পাশাপাশি পুরাতন কোষকে মেরে ফেলে।কোলন, প্রস্টেট ও ব্রেস্ট ক্যান্সারে ক্ষেত্রে ব্রকলি খাওয়া বেশ উপকারি।

রসুন

রসুনে উপস্থিত Alliin (S-allylcysteine sulfoxide)নামক রাসায়নিক এন্টিক্যান্সার উপাদান হিসেবে কাজ করে। এটি দেহে প্রবেশ করা ভারী ধাতব পদার্থ যেগুলো ক্যান্সার সৃষ্টিতে উদ্দিপনা যোগায় সেগুলোকে বের করে দেয়।রসুন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ইমিউন সিস্টেম তৈরি করে। শুধু নিয়মিত রসুন ব্যবহার কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০% কমাতে সাহায্য করে।

বাদাম

বিভিন্নরকম বাদাম
বিভিন্নরকম বাদাম

ওয়ালনাট বাদামে আছে pedunculagin এটি দেহে বিপাক হওয়ার পর urolithins উৎপন্ন করে। এই উপাদান দেহের ভালো কোষকে ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে শক্তি যোগায়। অন্যান্য বাদামের মধ্যে কাজু,আমন্ড,চিনা বাদামের প্রধান ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান হলো Flavonoids and phenolic acids,Gamma-tocopherol and tocotrienols,Alpha-tocopherol, সেলেনিয়াম।

এই উপাদানগুলো এন্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করে। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিষাক্ত যৌগ কোষে আক্রমণ করে কোষের ডিএনএ স্ট্রাকচার পরিবর্তন করে ফেলে এই পরিবর্তিত ডিএনএ বিশিষ্ট্য কোষগুলো ভবিষ্যতে ক্যান্সার কোষ সৃষ্টি করে। এন্টি অক্সিডেন্ট কোষের ডিএনএ কে আক্রমণ করার আগেই বিষাক্ত পদার্থগুলোকে আক্রমণ করে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। কি বাদাম ভাজা খাওয়ার কথা নিশ্চয় ভাবছেন এখন?

গাজর

গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারটিন এই রাসায়নিক উপাদান ভালো কোষের বাইরে কোষ পর্দার উপরে একধরণের প্রতিরক্ষা আবরণ তৈরি করে ফলে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান কার্সিনোজেন কোষের প্রোটোপ্লাজমে প্রবেশ করতে পারে না। এটি ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রাস করতেও ভূমিকা রাখে।গাজর ফুসফুস , শ্বাসনালী , খাদ্যনালী,পাকস্থলী , অন্ত্র এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

টমেটো

টমেটোতে লাইকোপেন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা দেহে প্রবেশ করা কার্সিনোজেন বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান কে কোষের আশপাশে আসার আগেই ধ্বংস করে ফেলে।লাইকোপিন ক্যান্সার কোষে সৃষ্টি হওয়া ক্ষতিকর ডিএনএ নষ্ট করে ফেলে। নিয়মিত টমেটো খাওয়ার মাধ্যমে ২০ প্রকার ক্যান্সার দূরে রাখতে পারবেন। কি বুঝলেন সারাদে টমেটো বেশি না কম খাবেন?

আদা (Ginger)

আদা
আদা

মনেকরা হয়,কেমোথেরাপির ঔষধের চাইতে ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী আদা। আদার রাসায়নিক গঠনে antioxidant, anti-inflammatory and anti-tumor উপাদান আছে এগুলো টিউমার কোষ তৈরির প্রক্রিয়া সৃষ্টিতে বাধা দেয়। colon cancer প্রতিরোধে আদার রস বেশ উপকারি। দৈনিক অন্তত এককাপ আদা চা পান করুন।

হলুদ

হলুদে ‘কারকিউমিন’ নামক উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের মধ্যে কার্সিনোজেন প্রবেশের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করে। দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তোলে। হলুদ ক্যান্সার কোষকে নিস্তেজ করতে সাহায্য করে। তরকারিতে হলুদ ব্যবহার করলেই প্রয়োজনীয় হলুদের ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য মাঝেমধ্যে হলুদ মিশ্রিত গরম দুধ খেতে পারেন।আপনি এটাও পরে দেখতে পারেন…. হলুদ মিশ্রিত দুধের উপকারিতা)

গ্রিন টি

গ্রিন টি
গ্রিন টি

ফ্লাভোনয়েড ও ট্যানিন গ্রিন টি এর উল্লেখযোগ্য রাসায়নিক উপাদান। এই উপাদানগুলো রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল কে হ্রাস করে ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল এর পরিমান বৃদ্ধি করে।এর ফলে স্ট্রোক ও হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমেযায়। ব্রেইন ও হার্ট ভালো থাকলে তো ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সহজ।

গ্রিন টি প্রচুর ক্যাটচীন নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তাই এটি ক্যানসার কোষের জন্ম প্রতিহত করে। প্রতিদিন এককাপ গ্রিন টি খেলে স্তন,ব্রেইন,রক্ত ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

তরমুজ

তরমুজে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন,লাইকোপেন, থাকে যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। তরমুজ প্রস্টেট,শুক্রাশয়, ডিম্বাশয়, মুত্রথলির ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

পেঁয়াজ

পেঁয়াজে উপস্থিত Alliin (S-allylcysteine sulfoxide)নামক রাসায়নিক এন্টিক্যান্সার উপাদান হিসেবে কাজ করে। এটি দেহে প্রবেশ করা ভারী ধাতব পদার্থ যেগুলো ক্যান্সার সৃষ্টিতে উদ্দিপনা যোগায় সেগুলোকে বের করে দেয়।পেঁয়াজ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে ইমিউন সিস্টেম তৈরি করে। শুধু নিয়মিত পেঁয়াজ ব্যবহার কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০% কমাতে সাহায্য করে।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলুতে বিটা ক্যারোটিন আছে। উচ্চমাত্রায় বিটা ক্যারোটিন শরীরে থাকলে তা কোলন, স্তন, পেট ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন মিষ্টি আলো খেলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক কমে যায়।

করোসল বা সাওয়ারসপ

করোসল বা সাওয়ারসপ ফল
করোসল বা সাওয়ারসপ ফল

এটি একটি বিদেশী ফল।এটি ক্যান্সার প্রতিরোধী ফল নামেও পরিচিত। করোসল ফল কেমোথেরাপির চেয়ে দশ হাজার গুণ শক্তিশালী এই তথ্যটি প্রতিষ্ঠার পর্যায়ে আছে। এই ফলের রসে কেমোথেরাপির ঔষধের মত উপাদান আছে।

অনেক পাতাযুক্ত সবুজ শাক

বহুপাতাযুক্ত শাক
বহুপাতাযুক্ত শাক

পালং শাক, পুই শাক,সজনা পাতা,লাউপাতা, লেটুস, হেলেঞ্চা শাক,নন্টে শাক, সহ দেশীয় সবুজ শাক-পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং এনজাইম। এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করতে সবুজ শাকের উপাদান বেশ কার্যকর। এতে প্রচুর এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে যা কেমোথেরাপির সময় দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

বেরি জাতীয় ফল

বেরি জাতীয় ফল
বেরি জাতীয় ফল

বেরি জাতীয় সকল ফলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং পলিফেনলিক এন্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যান্সার নিরাময়ের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।এই ফলগুলোর জ্যুস খেতে পারেন কারণ এদের জ্যুস সমান উপকারি।

তৈলাক্ত মাছ

মাছের তেলে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে এটি একটি উপকারি চর্বি।ওমেগা-৩ ফ্যাটিএসিড মস্তিষ্কের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এটি হার্ট ভালো রাখতে বিরাট ভূমিকা রাখে। এছাড়াও মাছে এন্টিইনফ্ল্যামেটরি , এন্টিটিউমার ও এন্টিক্যান্সার উপাদান আছে। কেমোথেরাপির সাইড ইফেক্ট ও বিষক্রিয়া উপসম করতে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশ ভূমিকা রাখে।

কাঁচামরিচ

শরীরে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান দূরকরে কাঁচামরিচ এর এন্টিঅক্সিডেন্ট। বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

আপেল ও ডালিম

আপেলের ম্যালিক এসিড প্রস্টেট, শুক্রাশয়, ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। ডালিম ও বেদানার রস এন্টিঅক্সিডেন্টের আধার। রক্ত ক্যানসার প্রতিরোধে এটি ভালো কাজ করে।

রঙিন সব্জি

রঙিন সব্জি
রঙিন সব্জি

সব্জি রান্না করার সময় কয়েকধরণের সব্জি একসাথে রান্না করা উচিত।এতে বিভিন্ন উপাদান একত্রে যুক্ত হয়ে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করে।গাঢ় সবুজ, লাল, এবং কমলা রঙের সব্জি ২টি বা ৩টি একত্রে অথবা সপ্তাহে একদিন পরপর রান্না করে খেলে কোলন,অন্ননালী, কিডনির ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সজনা ও বরবটি

সজনা ও বরবটি
সজনা ও বরবটি

সজনা ও বরবটি প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য দেহকে প্রস্তুত রাখে। যখন সময় মত এই দুটি সব্জি বাজারে পাবেন তখন কোন চিন্তা না করে কিনে ফেলুন।

পরামর্শ দিয়েছেন-
ড. এস,এম,ডেভিডসন
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
কলরাডো,আমেরিকা

কোন খাবার কান্সার প্রতিরোধ করে?

ফুলকপি ও বাঁধাকপি,ব্রকলি,রসুন,বাদাম,গাজর,টমেটো,আদা (Ginger),হলুদ,গ্রিন টি,তরমুজ,পেঁয়াজ,মিষ্টি আলু,করোসল বা সাওয়ারসপ,অনেক পাতাযুক্ত সবুজ শাক,বেরি জাতীয় ফল,তৈলাক্ত মাছ,কাঁচামরিচ,আপেল ও ডালিম,রঙিন সব্জি,সজনা ও বরবটি ইত্যাদি খাবার কান্সার প্রতিরোধ করে ।

কান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে কোন খাবার?

করোসল বা সাওয়ারসপ, অনেক পাতাযুক্ত সবুজ শাক,বেরি জাতীয় ফল,তৈলাক্ত মাছ কান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে ।

কি খেলে কান্সার হয় না?

করোসল বা সাওয়ারসপ প্রাকিতিক ক্যানসার নিরাময়কারী।

Info sourch: webmd cancersupport cancer.org

Tag: ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার..ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার..ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার..ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার..ক্যান্সার প্রতিরোধকারী খাবার…যে খাবার খেলে কান্সার হয় না কান্সার দূরে রাখে যে খাবার

Please Click on Just one Add to help us

মহাশয়, জ্ঞান বিতরণের মত মহৎ কাজে অংশ নিন।ওয়েবসাইট টি পরিচালনার খরচ হিসেবে আপনি কিছু অনুদান দিতে পারেন, স্পন্সর করতে পারেন, এড দিতে পারেন, নিজে না পারলে চ্যারিটি ফান্ডের বা দাতাদের জানাতে পারেন। অনুদান পাঠাতে পারেন এই নম্বরে ০১৭২৩১৬৫৪০৪ বিকাশ,নগদ,রকেট।

এই ওয়েবসাইট আমার নিজের খরচায় চালাই। এড থেকে ডোমেইন খরচই উঠেনা। আমি একা প্রচুর সময় দেই। শিক্ষক হিসেবে আমার জ্ঞান দানের ইচ্ছা থেকেই এই প্রচেষ্টা।