সাগর কলা বনাম অনুপম কলা কোনটি ভালো?

সাগর কলা বনাম অনুপম কলা কোনটি ভালো?

বড়দের কাছ থেকে আমরা এই কথা শুনে অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে সাগর কলার পুষ্টিগুণ কম, অনুপম কলার পুষ্টিগুণ বেশী। অনেকে সাগর কলার নাম শুনে মুখ ভেংচায়, বলে অ্যাঁ সাগর কলা আবার ফল হলো?

বাজারেও এই কলার দাম অনুপম কলার চেয়ে সবসময় দুই-চার টাকা কম। আসুন প্রবেশ করি কলার হলুদ দুনিয়ায়, খুঁজে দেখি আসল সত্য!! সাগর কলা বনাম অনুপম কলা, কে বেশি উপকারি। সাগর কলার পুষ্টিগুণ কম নাকি অনুপম কলার পুষ্টিগুণ বেশি।

আপনি আরও পড়তে পারেন…. কলার অপকারিতা কি?

সাগর কলা বনাম অনুপম কলা কোনটি ভালো?

আসলে সাগর কলা পেকে গেলে এতে জলীয় পদার্থের পরিমাণ বারে তাই কলার মিউসিলেজ নামক পিচ্ছিল পদার্থ বেশী হয়।একারণে সাগর কলা পিচ্ছিল (ল্যালপা) ধরনের হয়। কিন্তু অনুপম কলার জলীয় অংশ কম থাকায় এটি পিচ্ছল কম হয়।

সাগর কলা বনাম অনুপম কলা কোনটি ভালো?

এই বিষয়টা না বুঝে সাগর কলার পিচ্ছিল উপদানের জন্য অনেক মূর্খ স্বঘোষিত জ্ঞান প্রচার করে যে সাগর কলার পুষ্টি কম।আসলে সাগর কলা আর অনুপম কলার মধ্যে পুষ্টির কোন তফাৎ নেই।

কিছু বিশেষ গুণ সাগর কলাতে বেশী আছে যা অনুপম কলাতে নেই। যেমন সাগর কলার নরম ও পিচ্ছিল গুণের কারনে এটি প্রায় চার থেকে দশ মিনিটের মধ্যে রক্তে প্রবেশ করে এবং দ্রুত শক্তির যোগান দেয়।অনুপম কলার এই কাজ করতে প্রায় বিশ মিনিটের বেশী লাগে।

সাগর কলার উপকারিতা

সাগর কলার উপকারিতা জানতে আপনাদের মনে হয় বাঁকি নেই তাই সাগর কলা সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা দূরকরা যাক…..

সাগর কলা খেলে কি যৌনশক্তি কমে যায়?

গ্রামে প্রচলিত আছে সাগর কলা সেক্স কমায়, আসলে সাগর কলার মিউসিলেজ বির্য রস বৃদ্ধি করে আর ফ্রুকটোজ শুক্রাণুর খাদ্য যোগায়।

সাগর কলা খেলে কি কাশি হয়?

সাগর কলা খেলে কি ঠান্ডা লাগে?

ঠান্ডা লাগলে বা কাশি হলে কলা খাওয়া যাবে না, আসলে ঠান্ডা বেশী বা কাশ হওয়ার সাথে কলার কোন সম্পর্ক নেই বরং কলার পেকটিন ও মিউসিলেজ কাশি নরম করে বের হতে সাহায্য করে। তবে শ্বাস কষ্ট বা অ্যাজমা আছে এমন রোগির সাগর কলা না খাওয়াই ভালো।

কি মশাই জানলেন তো সব,? এখন সিদ্ধান্ত আপনার সাগর কলা খাবেন, না শুধু অনুপম কলা খাবেন?

tag; সাগর কলা বনাম অনুপম কলা সাগর কলা বনাম অনুপম কলা সাগর কলা বনাম অনুপম কলা sagor kola vs onupom kola, সাগর কলা vs অনুপম কলা

Please click on Just one Add to Help Us

মহাশয়, জ্ঞান বিতরণের মত মহৎ কাজে অংশ নিন।ওয়েবসাইট টি পরিচালনার খরচ হিসেবে আপনি কিছু অনুদান দিতে পারেন, স্পন্সর করতে পারেন, এড দিতে পারেন, নিজে না পারলে চ্যারিটি ফান্ডের বা দাতাদের জানাতে পারেন। অনুদান পাঠাতে পারেন এই নম্বরে ০১৭২৩১৬৫৪০৪ বিকাশ,নগদ,রকেট।

এই ওয়েবসাইট আমার নিজের খরচায় চালাই। এড থেকে ডোমেইন খরচই উঠেনা। আমি একা প্রচুর সময় দেই। শিক্ষক হিসেবে আমার জ্ঞান দানের ইচ্ছা থেকেই এই প্রচেষ্টা। আপনি লিখতে পারেন এই ব্লগে। এগিয়ে নিন বাংলায় ভালো কিছু শেখার প্রচেষ্টা।